শৌচাগার নির্মাণে রডের বদলে বাঁশ, আরো একটি কমিটি

গাইবান্ধা সদর উপজেলার মেঘডুমুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শৌচাগার নির্মাণ কাজে লোহার রডের পরিবর্তে চিকন বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগের পর ওই ঠিকাদারের নির্মাণাধীন আরো ৮ টি স্কুলে শৌচাগারের কাজ তদন্তে সোমবার আরো একটি কমিটি গঠিত করা হয়েছে।
 
তবে জেলায় আরো ২৭৫টি  প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্মিত ওয়াসবøক কাজের বিষয়টি খতিয়ে দেখতেও তদন্ত কমিটি গঠন করার দাবি উঠেছে।
 
গাইবান্ধা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম চৌধুরী জানান, তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্তে কমিটিতে গাইবান্ধা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. তরিকুল ইসলামকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। অন্য দুই সদস্য হল গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহজাহান আলী ও সাদুল্লাপুর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ইনছার আলী। আগামী ৭ দিনের মধ্যে কমিটি সরেজমিন তদন্ত পূর্বক রিপোর্ট  প্রদান করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
 
তিনি আরো জানান, এর আগে গত রবিবার এই ঘটনায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
 
প্রথম তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক রামচন্দ্রপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, দরজা ও জানালার উপরের অংশে চিকন বাঁশ পাওয়া গেছে। তবে আর কোথাও চিকন বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে কিনা সেজন্য পুরো ছাদ ভেঙ্গে দেখতে সুপারিশ করা হয়েছে।
 
নির্বাহী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ওই ঠিকাদার মেঘডুমুরসহ মোট আটটি বিদ্যালয়ের কাজ পেয়েছেন। কিন্তু চিকন বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগ উঠার পর তার আটটি বিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির রির্পোট পাওয়ার পর এ ব্যাপারে পরবর্তী সিন্ধান্ত নেয়া হবে।