ফেনীর সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের চর খোন্দকার গ্রামের জেলেপাড়ার চরে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ ভেসে এসে আটকা পড়ে। দিনভর লাশটি সেখানে পড়ে ছিল। বিকেলে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ লাশটি আবার ঠেলে নদীর জোয়ারে ভাসিয়ে দেয়। জোয়ারে ভেসে আসা লাশটির আর মাটিতে ঠাঁই হয়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সোনাগাজী উপজেলার চর খোন্দকার গ্রামের স্থানীয়রা জানায়, সোমবার সকালে তাঁরা জেলে পাড়ার ফেনী নদীর তীরে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। স্থানীয় গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে সোনাগাজী মডেল থানায় খবর দেয়া হয়। সারা দিন পড়ে থাকলেও লাশটি উদ্ধারে কেউ এগিয়ে আসেনি। দিনভর গ্রামের বহু লোক লাশটি সেখানে পড়ে থাকতে দেখেন।
বিকেলে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মিন্টু মিয়া ও আবদুল মালেক ওই অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশটি ঠেলে আবার নদীর জোয়ারে ভাসিয়ে দেয়। এ ঘটনায় স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভ এবং অসন্তোষ সৃষ্টি হলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজী হয়নি।
এলাকাবাসীর ধারনা ২/৩ দিন আগে মৃত ব্যক্তির গায়ে আঘাতের চিহ্নও দেখা গেছে। লাশটি চট্টগ্রামের মিরসরাই বা সন্দীপ এলাকার কোন ব্যক্তির হতে পারে। আনুমানিক ৫০ বছর বয়সের ওই ব্যক্তির গায়ে সাদা পাঞ্জাবী ও পরনে লুঙ্গি এবং মুখে ছোট ছোট কাঁচাপাকা দাড়ি ছিল।
কেন ওই অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ আবার নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হলো সে বিষয়ে জানার জন্য সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ মিন্টু মিয়া ও আবদুল মালেককে অনেক চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
এদিকে ফেনী নদীর সোনাগাজীর চর খোন্দকারে ভেসে আসা লাশ নিয়ে স্থানীয় অনলাইন পত্রিকা গুলোতে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে। লাশ উদ্ধার করা হয়নি। কিন্তু ওই অনলাইন পত্রিকায় পুলিশের বরাত দিয়ে লাশ উদ্ধার ও ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে প্রেরণের সংবাদও প্রকাশ করে।
সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হুমায়ুন কবীর জানায়, জোয়ারে ফেনী নদীর চর খোন্দকার গ্রাম এলাকায় এক ব্যক্তির লাশ ভেসে আসার সংবাদ শুনে পুলিশ সেটি উদ্ধারের জন্য যায়। কিন্তু সেখানে কোন লাশ পাওয়া যায়নি।