প্রশ্ন না এনেই এইচএসসি পরীক্ষা শুরু, ইউএনও'র হস্তক্ষেপে রক্ষা

 
যথা সময়ে ঘণ্টা পড়েছে। শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে গেছেন প্রশ্ন নেয়ার জন্য। সেই মুহূর্তেই শুরু হল হইহুল্লোর। শিক্ষার্থীরা চিৎকার করে বলে এ তো আমাদের নৈবত্তিক প্রশ্ন নয়। এটা রচনামূলক প্রশ্ন। কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে তখন। প্রশ্ন  রয়েছে থানায়। কলেজ থেকে মুরাদনগর থানার দূরত্ব ১২কিলোমিটার। আসা যাওয়ায় ২৪ কিলোমিটার।
 
এ সময়ের মধ্যে খবরটি পৌঁছে যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কানে। তিনি তাৎক্ষনিক থানায় গিয়ে প্রশ্ন নিয়ে পরীক্ষার কেন্দ্রে হাজির হন। এরই মধ্যে ১৫মিনিট অতিবাহিত হয়ে গেছে। এ দায়িত্বহীন ঘটনা ঘটেছে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাশঁকাইট ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ডিগ্রী কলেজে।
 
মঙ্গলবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় ওই ঘটনা ঘটে। পরে নির্বাহী কর্মকর্তা ওই কেন্দ্রের পরীক্ষা কমিটির সচিব সহ:অধ্যাপক আমির হোসেনকে দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করেন।
 
স্থানীয় সূত্র জানা, মঙ্গলবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন ২২৬জন। ওই কলেজের অধ্যক্ষ যদি তদারকি করতেন তা হলে হয়ত এ ঘটনাটি ঘটতো না।
 
পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা ইউএনও'র ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন স্যারের এই ভূমিকার ফলে আমরা আজ পরীক্ষা দিতে পেরেছি, এ জন্য স্যারকে আমরা আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই।
 
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনসুর উদ্দিন বলেন,পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ট্রেজারী থেকে আনার ব্যাপারেও অসহযোগিতা করেছেন ওই কলেজের অধ্যক্ষ আ. ওয়াদুদ। প্রশ্ন না নিয়েই পরীক্ষা শুরু করেছিলেন। দায়িত্বে অবহেলার কারণে আমির হোসেনকে পরীক্ষা কমিটি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।