ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল্যায়ন প্রতিবেদন
ইত্তেফাক রিপোর্ট
ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী অর্থনীতিতে অনেক সাফল্য থাকলেও একই সময়ে আয় বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছে। জিডিপি (মোট দেশজ উত্পাদন) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করা সম্ভব হয়নি। ২০১১ সাল থেকে ২০১৫ সালে বাস্তবায়ন হওয়া ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মূল্যায়ন নিয়ে সম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে পরিকল্পনাটির সমাপ্তি মূল্যায়ন প্রতিবেদন অবহিত করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিকল্পনার শেষ বছরে এসে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৮ শতাংশ ধরা হলেও অর্জিত হয়েছে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, নতুন সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, অনেক বেশি এবং দ্রুত উন্নয়ন ইত্যাদি আকাঙ্ক্ষা থেকেই এ ধরনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। যেটি বাস্তবতার সঙ্গে মিল ছিল না। কিন্তু তারপরও যে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে সেটি বিশ্বের সমমানের অন্য দেশগুলোর মধ্যে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) আবুল কালাম আজাদ এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে ড. শামসুল আলম ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদে বেশকিছু সাফল্য তুলে ধরার পাশাপাশি কিছু চ্যালেঞ্জের কথাও উল্লেখ করেন।
অনার্স-মাস্টার্স ডিগ্রি’র প্রয়োজনীয়তা
নিয়ে প্রশ্ন কৃষিমন্ত্রীর
অনুষ্ঠানে একজন বক্তার বক্তব্যের সূত্র ধরে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কলেজে সাধারণ বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে পড়াশোনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি কয়েকটি কলেজের নাম উল্লেখ করে বলেন, কলেজে অনার্স-মাস্টার্স ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে। এসব ডিগ্রির কী দরকার, আমি জানি না।