বেবি পাউডার কি নিরাপদ?

 
ডেনবার্গ নামক একজন মার্কিন নারী ওভারিয়ান ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। আর এজন্য তিনি দায়ী করছেন ট্যালকম বেবি পাউডারকে। কারণ গত ৩০ বছর ধরে তার দু’পায়ের মাঝে বেবি পাউডার ব্যবহার করে আসছেন। তার বর্তমান বয়স ৫৯ বছর। আর বার্গ হচ্ছেন হাজার হাজার আমেরিকানদের মধ্যে প্রথম যিনি ওভারিয়ান ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার জন্য বেবি পাউডারকে দায়ী করে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জনসন এন্ড জনসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
 
তিনি দাবি করছেন, বেবি পাউডারই তার ক্যান্সারের জন্য দায়ী। এই রিপোর্টটি প্রকাশ করেছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭১ সালে প্রথম গবেষণায় বেবি পাউডারের মধ্যে কার্সিনোজেনিক উপাদান পাওয়া যায়, যা থেকে ওভারিয়ান অ্যান্ড জরায়ুর ক্যান্সার হতে পারে।
 
অপর একাধিক গবেষণায় বলা হয়, আফ্রিকান-আমেরিকান নারীদের মধ্যে যারা নিম্নাঙ্গে বেবি পাউডার ব্যবহার করেন তাদের এপিথেলিয়াল ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুঁকি স্বাভাবিকের চেয়ে ৪৪ ভাগ বেশি। তবে জনসন অ্যান্ড জনসন কর্তৃপক্ষ বলেছে, তাদের ট্রেডমার্ক বেবি পাউডার নিরাপদ।
 
তবে দ্য ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্স অন ক্যান্সার-এর মতে, ট্যালকম পাউডার ফিমেল জেনিটাল এরিয়াতে ব্যবহার করা হলে ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু একটি কোম্পানি নয়, বহু কোম্পানি আছে যারা বেবি পাউডার উৎপাদন করে। এসব পাউডার কতটা নিরাপদ তা গবেষণা করে দেখা উচিত।
 
লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ