মালির উত্তরাঞ্চলে সন্ত্রসীদের চালানো হামলায় এক চীনা শান্তিরক্ষী সহ ৪ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার চালানো এসব হামলার দায় আল কায়েদার জঙ্গিরা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। সেখানে মারা যাওয়া অপর তিনজন জাতিসংঘের মাইন-নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিটের সদস্য।
মালির উত্তরাঞ্চলীয় গাও শিবিরে মর্টারের গোলায় নিজেদের এক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া হামলায় আরো তিন চীনা নাগরিক গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাও শহরে বিচ্ছিন্ন অপর এক হামলায় মাইন-নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিটের ‘দুই নিরাপত্তারক্ষী এবং একজন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ’ নিহত হয়েছেন।
আল কায়েদা ইন দ্য ইসলামিক মাগরেব (একিউআইএম) জানিয়েছে, আলজেরীয় জঙ্গি মোখতার বেলমোখতারের নেতৃত্বাধীন একটি শাখা এসব হামলা চালিয়েছে। কয়েক বছর আগে আল কায়েদার সঙ্গে সম্পর্কিত বিদ্রোহীরা তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে মিলে দেশটির উত্তরাঞ্চলের বিশাল এলাকা দখল করে নিয়ে রাজধানী বামাকোর দিকে এগিয়ে আসছিল। পরে ফ্রান্সের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর পাল্টা অভিযানে এরা পিছুঁ হটে।
২০১৩ সালে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন শহর থেকে বিদ্রোহী জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী তুয়ারেগদের হাটিয়ে দেয় ফরাসি বাহিনী। এরপর ওই বছরই দেশটিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মোতায়েন করা হয়। জাতিসংঘের এই মিশন 'মিনুসমা' নামে পরিচিত।
মিনুসমা জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। মোতয়ানে করার পর থেকে এ পর্যন্ত মিশনটির ৬৫ জন শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। গত রবিবার মালির কেন্দ্রীয়াঞ্চলের মোপতি এলাকায় টোগোর পাঁচ শান্তিরক্ষী নিহত হন। শান্তিরক্ষীদের বহনকারী গাড়িটি ভূমিমাইনে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পর তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়। বিডি নিউজ।