ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি কত শ্লোগানই এখন শোনা যায়। এবার বিশেষজ্ঞগণ জোর দিচ্ছেন ক্লিন ইটিং বা স্বাস্থ্যকর খাবারের ওপর। আর ক্লিন ইটিং-কে বিশেষজ্ঞগণ এবাবেই সঙ্গায়িত করেছেন, ক্লিন ইটিং-এর অর্থ হচ্ছে, যে কোন খাবার হতে হবে স্বাস্থ্যসম্মত, খাবারে থাকতে হবে প্রচুর সবুজ শাক-সবজি, তাজা ফলমূল, শস্যকনা এবং স্বাস্থ্যকর আমিষ। বর্জন করতে হবে ফাস্টফুড, জাংক ফুড, প্রসেসড ফুড।
আর ক্লিন ইটিং সম্পর্কে আরো বলা হচ্ছে, ক্লিন ইটিং মানে হেলদি ইটিং, হেলদি ওয়েট। আর ক্লিন ইটিং সম্পর্কে বিশেষজ্ঞগণ ৭টি টিপস দিয়েছেন যা এখানে তুলে ধরা হলো।
১. ভেজিটেবল ও তাজা ফলমূল আহারকে প্রাধান্য দিতে হবে, বর্জন করতে হবে সলটি ও সুগারি খাবার।
২. পরিহার করতে হবে অধিক চিনিযুক্ত ব্লুবেরি ইয়োগার্ট। আর আহারের তালিকায় রাখতে হবে মিষ্টি ছাড়া ইয়োগার্ট এবং ফ্রেশ ফ্রুইট।
৩. এন্টিবায়োটিক, হরমোন ও কৃত্রিম খাবারে পালিত পশুর মাংসের পরিবর্তে সাধারণ খামারে বেড়ে ওঠা ঘাস খাওয়া পশুর মাংস আহার করার চেষ্টা করতে হবে।
৪. মার্জারিনের পরিবর্তে ‘গ্রাসফেড’ গরুর দুধে তৈরি বাটার আহার করতে হবে।
৫. আইসক্রিমের পরিবর্তে ফ্রেশ ফ্রুইট ও লোফ্যাট ইয়োগার্ট খেতে হবে।
৬. ফুল ফ্যাট চিপস পরিহার করে ক্রাঞ্চি স্ন্যাকস এবং লোফ্যাট চিপস আহার করার চেষ্টা করুন।
৭. আর সব ধরনের খাবার রান্না করতে হবে বিশুদ্ধ তেল, হালকা মসলা ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে।
লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ