সময় এখন ক্যাজুয়ালের

 
রমজান এলেই ফ্যাশন হাউসগুলো সেজে ওঠে নিজেদের নানা আয়োজন নিয়ে। তবে গরমে আরাম দিতে ফ্যাশন হাউসগুলো নিয়ে এসেছে তারুণ্যের পছন্দের পোশাক। এ তালিকায় রয়েছে ক্যাজুয়াল শার্টও। গরমে ক্যাজুয়াল শার্ট পরলে অনেক আরামে ও সাচ্ছন্দ্যে থাকা যায়। তাই তরুণরা বর্তমানে ক্যাজুয়াল শার্টকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন।
 
ক্যাজুয়াল শার্ট নিয়ে আমরা কথা বলেছিলাম তারুণ্যের ফ্যাশন হাউস ডিমান্ডের ম্যানেজিং পার্টনার ও ডিজাইনার রাসেল মাহমুদের সঙ্গে। তিনি জানালেন, ডিমান্ড মানে চাহিদা। মানুষের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ফ্যাশন হাউস ডিমান্ড এরমধ্যে পুরুষদের জন্য ঈদের কালেকশন নিয়ে এসেছে। এ আয়োজনে রয়েছে ক্যাজুয়াল শার্ট, টি-শার্ট, পোলো শার্ট, পাঞ্জাবি, ডেনিম ও কটন প্যান্ট। তবে এসবের মধ্যে ক্যাজুয়াল শার্টকে তারা আলাদাভাবে প্রাধান্য দিচ্ছেন। ডিমান্ডের বেশির ভাগ ক্রেতাও ক্যাজুয়াল শার্টের।
 
রাসেল মাহমুদ জানান, সময়টা এখন ক্যাজুয়ালের। কেননা গরমের সময় ফরমাল পরতে পছন্দ করেন না অনেক মানুষ। তাদের ক্রেতা টার্গেটও তারুণ্যনির্ভর। তাই ক্যাজুয়ালকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে এবার ঈদে ডিমান্ডের পোশাক তৈরি করা হয়েছে। ক্যাজুয়াল শার্টে এবার সুতির মধ্যে প্রিন্ট করা হয়েছে। এছাড়া রঙের ক্ষেত্রে কালারফুল কাজ বেশি করা হয়েছে। কেননা দেখা গেছে, বর্তমানে ক্রেতারা কালারফুল পোশাক বেশি পছন্দ করছেন।
 
ডিমান্ডের পোশাক ক্রেতারা কেন কিনবেন? এ বিষয় তিনি বলেন, ‘আমরা পোশাকের গুণগত মান সবসময় ধরে রাখি। পোশাকের মূল্যও ক্রেতাদের হাতের নাগালে। তাই আমাদের বিশ্বাস ক্রেতারা অবশ্যই আমাদের পোশাক কিনবেন। এছাড়াও ফেব্রিক যেন ভালো মানের হয় সেদিকে সবসময় আমরা খেয়াল রাখি।’
 
ক্যাজুয়াল শার্টে ডিমান্ডের বিশেষত্ব নিয়ে রাসেল বলেন, ‘আমরা সবসময় নিত্যনতুন ডিজাইনের পোশাক আনছি। এছাড়া দেশি কাপড়ের পাশাপাশি বিদেশি কাপড়ও ব্যবহার করি। পোশাকের মূল্যও তুলনামূলক রিজনেবল।’
 
ঈদের কালেকশন নিয়ে তিনি বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে ২০টি নতুন ডিজাইনের ক্যাজুয়াল শার্ট এনেছি। এর মধ্যে ৮০টি কালারের কাজ রয়েছে। ফলে ক্রেতারা খুব সহজেই নিজের পছন্দের পোশাকটি কিনে নিতে পারবেন ডিমান্ড থেকে। এবার ক্যাজুয়াল শার্টের ক্ষেত্রে কালারফুল রঙ যেমন প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, তেমনি পাঞ্জাবির ক্ষেত্রেও সাদার মধ্যে সুতি ও প্রিন্টের পাঞ্জাবির চাহিদা লক্ষ করা যাচ্ছে।’   
 
ডিমান্ডের আরেকটি বিশেষ সেবা হলো—যে কেউ ডিমান্ড  থেকে যেকোনো পণ্য কেনার পর এর রঙ দশদিনের মধ্যে উঠে গেলে মেমোসহ নিয়ে এলে তা ফেরত দিয়ে নতুন পণ্য দেওয়া হয়।
 
পোশাকের গুণগত মান ও দাম সামর্থ্যের মধ্যে থাকায় ক্রেতারা ডিমান্ডকে ভালোভাবে নিয়েছেন। এ কারণে মাত্র দুই বছরেই ঢাকায় তিনটি এবং বগুড়া, নারায়ণগঞ্জ ও সাভার মিলিয়ে ছয়টি শোরুম ডিমান্ড কর্তৃপক্ষ চালু করেছেন। আর যেকোনো শোরুম থেকে একই মূল্যে ক্রেতারা পোশাক কিনতে পারছেন।