বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিঃ এর ১২০ কোটি ৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি শওকত চৌধুরীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদন যাচাই বাছাই করে কমিশন এ চার্জশিট অনুমোদন করে।
দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, শিগগিরই বিচারিক আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে। ২০১৬ সালের মে মাসে বংশাল (ডিএমপি) থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করা হয়েছে তারা হলেন সাবেক এমপি শওকত চৌধুরী, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের সাবেক অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ব্যবস্থাপনা পরিচালকের চলতি দায়িত্বে ছিলেন) মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শফিকুল ইসলাম, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট পানু রঞ্জন দাস, সাবেক ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ইফতেখার হোসেন, বংশাল শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মো. হাবিবুল গনি, বৈদেশিক বাণিজ্য শাখার কর্মকর্তা শিরিন নিজামী, সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার দেবাশীষ কুমার ও এক্সিকিউটিভ অফিসার আসজাদুর রহমান।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, যমুনা অ্যাগ্রো কেমিক্যাল কোম্পানি ও যমুনা অ্যাগ্রো কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডের নামের প্রতিষ্ঠান দুটির মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শওকত চৌধুরী। ২০১২ ও ২০১৩ সালে তার প্রতিষ্ঠানের নামে ২৯টি এলসি খুলে পণ্য আমদানির নামে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ব্যাংকটির বংশাল শাখা থেকে ৯৩ কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার ২৩১ টাকা আত্মসাত্ করা হয়। ওই টাকা বর্তমানে সুদে-আসলে ১২০ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। এ অভিযোগে দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে রাজধানীর বংশাল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।