ইমরানের সাহসিকতার কাহিনি এখন লোকের মুখে মুখে ঘুরছে। তাতে অবশ্য বেশ বিব্রতই তিনি। তার ফেসবুক পেজে খুব সম্প্রতি একটা স্ট্যাটাস আপডেট দিয়েছেন তিনি। লিখেছেন, ‘আমায় অনেকেই নায়কের আসন দিচ্ছেন দেখছি। কিন্তু আমি তখন যা করেছি, সেটা একটা ঘটনার প্রতিক্রিয়া মাত্র।’ পুলিশ জানিয়েছে, সে রাতে কমপক্ষে ৭০ জনের প্রাণ বাঁচিয়ে তাদের নাইটক্লাব ছেড়ে পালাতে সাহায্য করেছিলেন ইমরান। ঘাতক মতিনকে কি মাঝে মধ্যেই দেখা যেত ওই নির্দিষ্ট ক্লাবে? ইমরান এ নিয়ে বিশেষ কিছু জানাতে পারেননি। তবে ক্লাবের মালিকের পক্ষে তার মুখপাত্র সংবাদমাধ্যমকে স্পষ্ট জানিয়েছেন, মতিন ওই নাইটক্লাবের সদস্য ছিল না। এক-আধবার হয়তো সে ওই ক্লাবে যেতে পারে, কিন্তু নিয়মিত সে পালসে যেত না। বিভিন্ন মার্কিন পত্রিকায় অবশ্য মতিনের বর্তমান স্ত্রী নূরকে উদ্ধৃত করে এ খবরই বেরিয়েছে যে পালসের সদস্য ছিল মতিন। নিয়মিত সেখানে যেতও তার স্বামী। - রয়টার্স ও আনন্দবাজার পত্রিকা