দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ব্যবহারকারী বাড়ছে। বাংলাদেশে ই-কমার্সও এগিয়ে চলছে। দেশের চলমান ই–কমার্স ব্যবসা ও প্রসার নিয়ে কথা বলছেন ওখানেইডটকম এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাহিতুল ইসলাম।
প্রশ্ন: ই-কমার্সে বাংলাদেশে সম্ভাবনা কতটুকু আর কীভাবে ওখানেই ডটকম গড়ার উদ্যোগ নিলেন?
রাহিতুল : ই-কমার্স বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনার জায়গা তৈরি করেছে। মানুষ এখন ঘরে বসে পণ্য কিনবে। দেশ ডিজিটাল হচ্ছে। সে যাত্রায় ওখানেই ডটকম অংশীদার। সম্ভাবনাময় ই-কমার্স খাতে ওখানেই ডটকম নিজের জায়গা করে নিয়েছে। দেশি উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্য সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ওখানেই ডটকমের যাত্রা শুরু।
এর পথচলা খুব একটা মসৃণ পথচলা ছিল না। তবে অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ। এটি শুধু বিক্রি নয় একইসঙ্গে দেশের ব্র্যান্ডিংও করেছে। বাংলাদেশের জামদানির মতো ঐতিহ্যবাহী পণ্যসহ বিভিন্ন পণ্য সামগ্রি সারাবিশ্বের কাছে তুলে ধরেছে ওখানেইডটকম। ক্ষুদ্র-ব্যবসায়ীরা নিজেদের পণ্য যাতে বিক্রয় করতে পারে সেই ব্যবস্থাই করছে প্রতিনিয়ত। সরকারের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে আদেশের পণ্যকে বাইরের হাজারো অথিতিদের মাঝে তুলে ধরেছে।
প্রশ্ন : ই-কমার্স খাতকে কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যাবে?
রাহিতুল : ডিজিটাল বাংলাদেশ ব্যস্তবায়নে ই-কমার্সের গুরুত্ব অনেক বেশি। তাই সরকারকে অতি গুরুত্ব দিয়েই এই খাতে সহযোগিতার হাত বাড়াতে করতে হবে। বর্তমানে অনেকে এ ব্যবসায় আসছেন যারা ই-কমার্সের সেবার মাধ্যম বা ক্রেতার চাহিদা সম্পর্কে না জেনেই ই-কমার্স সাইট খুলে। ক্রেতাদের চাহিদার কথা, তাঁদের প্রয়োজনের বা সুবিধার বিষয়টি বিবেচনা করেন না। সাধারণ মানুষের কাছে ই-কমার্স সম্পর্কে ধারণা খারাপ হচ্ছে। এ কারণে পুরো ই-কমার্স নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এটি তো দ্বিতীয় বাজার। এক্ষেত্রে ইতিবাচক ধারণা মানুষকে দিতে হবে।
প্রশ্ন : ই-কমার্স ব্যবসায় ঝুঁকি কতোটা?
এই ব্যবসা শুরুতে দাঁড় করানো কঠিন। অনেক বড় ঝুঁকি থাকে। মানুষকে সাইট বা অনলাইন কেনাকাটা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা দিতে হয়।তবে এখন আমাদের ই-কমার্স সাইটগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে। এখন বিদেশি কিছু ই-কমার্স সাইট দেশে ব্যবসা শুরু করেছে। ছোট উদ্যোক্তারা তাঁদের জন্য ব্যবসা সমতা পাচ্ছেন না। দেশীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বড় হুমকি। এ ছাড়া অনেক সময় ভুয়া অফার ও সঠিক সেবা না দেওয়ার কারণে ই-কমার্সের বা অনলাইন কেনাকাটার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমাচ্ছে।