আল জাজিরা ও এএফপি
অধিকৃত পশ্চিম তীরে মঙ্গলবার রাতে দুইটি আলাদা ঘটনায় ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং জরুরি সেবা বিভাগগুলো এ কথা জানিয়েছে।
নিহতদের একজন ১৯ বছর বয়সী ওমর আবু লেয়লা, যিনি তিন দিন আগে পশ্চিম তীরে প্রাণঘাতী ছুরিকাঘাত এবং গুলি চালানোর জন্য সন্দেহভাজন। রবিবারের ওই ঘটনায় দুই ইসরাইলি নিহত হয়েছিলেন। পালিয়ে থাকা লেয়লাকে রামাল্লার উত্তরে আবেইন গ্রামে খুঁজে পাওয়া যায়। তাকে গ্রেপ্তার করতে আসা ইসরাইলি শিন বেট নিরাপত্তা বাহিনী বলেছে, ইসরাইলি বাহিনীর দিকে সরাসরি গুলি চালানোর পর তাকে হত্যা করা হয়। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সংঘর্ষে এক ব্যক্তির নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, কিন্তু বিস্তারিত কিছু জানায়নি। লেয়লা নিহত হওয়ার পর গ্রামের ফিলিস্তিনি যুবকরা ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করেন। ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, এ সময় ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে তাজা গুলিতে নয়জন নিহত হন।
এদিকে মঙ্গলবার রাতেই ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানের কাছে ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে রাইদ হামদান ও জাইদ নুরি নামে দুই ফিলিস্তিনি নিহত হন। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এদের নিহত হওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে। এক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, নাবলুস নগরীর একেবারে নিকটবর্তী ধর্মীয় দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থান জোসেফ স্মৃতিস্তম্ভের কাছে ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে ২১ বছর বয়সী রাইদ ও ২০ বছর বয়সী জায়িদ নুরি নিহত হয়। এদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ওই স্থান পরিদর্শন করতে আসা ইহুদি ভক্তদের লক্ষ্য করে বিস্ফোরক ছুড়ে মারলে সেখানে সেনা হামলাকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।