নিয়মিত ব্রাশে ৮০ ভাগ দাঁতের রোগ দূর হয়

 ‘ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে’ উপলক্ষে আলোচনা সভা

ইত্তেফাক রিপোর্ট

শুধুমাত্র নিয়মিত দাত ব্রাশের মাধ্যমে ৮০ শতাংশ দাঁতের রোগ দূর করা সম্ভব। আর দেশের প্রতি ১০ জন শিশুর মধ্যে দু’জন দাঁতের রোগে আক্রান্ত। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দেন সংশ্ল্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। গতকাল বুধবার ‘ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে’ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। ডেন্টাল ফেডারেশন (এফডিআই) এবং বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। জনগণের মধ্যে এ ব্যাপারে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর ২০ মার্চ ‘ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে’ পালনের মধ্য দিয়ে একটি প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করেছে তারা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মুখ গহ্বরের অসুস্থতা শুধু সেখানেই সীমাবদ্ধ থাকে না, সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্যই তা হতে পারে মারাত্মক হুমকির কারণ। বিশ্বে প্রতিনিয়ত অগণিত মানুষ শুধুমাত্র মুখ গহ্বরের সঠিক যত্ন না নেওয়ার কারণে নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে এবং তার পরিবার ও সমাজের বোঝা হয়ে পড়ে।

শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও পেপসোডেন্টের সহযোগিতায় শিশুদের সঠিক উপায়ে দাঁত ব্রাশের পদ্ধতি শেখানোর মধ্যদিয়ে দিনব্যাপী চলে ওরাল হেল্থ দিবসের কার্যক্রম। অনুষ্ঠানে ৪০ জন শিশু অংশ নেয়। আলোচনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির সভাপতি ও ঢাকা ডেন্টাল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আবুল কাসেমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য থেকে দূরে থাকলে এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়লে আমাদের ওরাল ক্যান্সার থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হবে। সমপ্রতি দেশে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের প্রকোপ বাড়ছে, এর প্রধান কারণ অসচেতনতা। তাই সচেতনতার কাজে ডেন্টিস্টদেরকে সর্বপ্রথমে এগিয়ে আসতে হবে। এ সময় চিকিত্সার পাশাপশি সচেতনতামূলক কার্যক্রমও বাড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত এমপি, স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদের সভাপতি ডা. এম ইকবাল আর্সলান, সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কাশেম প্রমুখ। সম্মেলনে সারাদেশ থেকে আসা প্রায় ৩ হাজারের অধিক ডেন্টাল সার্জন, চিকিত্সক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।