ইত্তেফাক রিপোর্ট
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কার্ডিওথোরাসিক সার্জন ডা. সিবাস্টিন কুমার সামির নেতৃত্বে গতকাল বুধবার সকালে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তার বাইপাস সার্জারি করা হয়। সার্জারির পর ওবায়দুল কাদেরকে পোস্ট অপারেটিভ কেয়ারে রাখা হয়েছে। সিঙ্গাপুরে ওবায়দুল কাদেরের চিকিত্সা সমন্বয়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক এবং নিওরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. আবু নাসের রিজভী গতকাল বিকালে ডা. সিবাস্টিনকে উদ্ধৃত করে এ তথ্য জানান।
এর আগে সিবাস্টিন কুমার সামি ওবায়দুল কাদেরের অপারেশন-পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে পরিবারের সদস্যদের জানান। ওবায়দুল কাদেরের পরিবার এ সময় মহান স্রষ্টা ও দেশবাসীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তার পূর্ণাঙ্গ সুস্থতার জন্য সকলের নিকট দোয়া কামনা করেন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোঃ আবু নাছের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রী ইসরাতুন্নেসা কাদের, ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ, সংসদ সদস্য আসলামুল হক, সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান, আওয়ামী লীগের নেতা আলাউদ্দিন আহমেদ নাসিম, নোয়াখালী জেলা সমিতি-ঢাকার সভাপতি শাহাবুদ্দীনসহ ওবায়দুল কাদেরের পরিবারের সদস্যরা ও সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত ৩ মার্চ ভোরে নিজের বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়লে ৬৭ বছর বয়সী ওবায়দুল কাদেরকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করানো হয়। সেখানে এনজিওগ্রামে তার হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এর মধ্যে একটিতে রিং পরানো হয়। এরপর তাকে বিএসএমএমইউ’র সিসিইউতে রাখা হয়। পরদিন ৪ মার্চ ভারতের প্রখ্যাত চিকিত্সক ড. দেবী শেঠীর পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে আইসিইউতে কয়েকদিন রেখে চিকিত্সার পর অবস্থার উন্নতি হলে কাদেরকে ১৩ মার্চ কেবিনে স্থানান্তর করা হয়।