‘হলিউডের চেয়ে দেশের ছবির প্রতি দর্শকদের আগ্রহ বেশি’

মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ। স্টার সিনেপ্লেক্সের সিনিয়র মার্কেটিং ম্যানেজার তিনি। মাল্টিপ্লেক্সটির বিভিন্ন পরিকল্পনা ও দেশ-বিদেশের ছবি প্রসঙ্গে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু

আরো কয়েক জায়গায় স্টার সিনেপ্লেক্সের নতুন মাল্টিপ্লেক্স চালু হতে যাচ্ছে। কবে নাগাদ এগুলো উদ্বোধন করা হবে?

ধানমন্ডির সীমান্ত স্কয়ার ও মহাখালীতে একটি করে মাল্টিপ্লেক্স চালু করতে যাচ্ছে স্টার সিনেপ্লেক্স। এরমধ্যে ১৬ ডিসেম্বর সীমান্ত স্কয়ারে চালু হবে এবং মহাখালীতে আগামীবছরের মাঝামাঝি সময়ে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া উত্তরাতেও একটি মাল্টিপ্লেক্স আমরা চালু করবো।

ঢাকার বাইরে কোনো মাল্টিপ্লেক্স চালুর পরিকল্পনা আপনাদের আছে কি-না?

পুরো দেশে ১০০টি মাল্টিপ্লেক্স চালু করা পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। এরমধ্যে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার নিয়ে পরিকল্পনা রয়েছে। এক এক করে আমরা পুরো দেশেই মাল্টিপ্লেক্স চালু করবো।

সাধারণ হলগুলোর চেয়ে মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে টিকেটের দাম বেশি থাকে। ঢাকার বাইরের দর্শকদের জন্য টিকেট মূল্যের কোনো পরিবর্তন থাকবে কি-না?

প্রথমত, দর্শকরা একটু ভালো পরিবেশ ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধের জন্য কিছু বাড়তি খরচ করে থাকে। স্টার সিনেপ্লেক্সে এমনটা আমরা দেখেছি। তবে ঢাকার বাইরের মাল্টিপ্লেক্সগুলো ক্ষেত্রে আমরা এ বিষয়ে বেশকিছু গবেষণা করছি। সেখানকার সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে এ বিষয়টি নির্ধারণ করা হবে।

স্টার সিনেপ্লেক্স একটি ছবি প্রযোজনার ঘোষণা দেয়। সেটির অগ্রগতি প্রসঙ্গে জানতে চাই—

ছবিটির শুটিং প্রায় শেষ পর্যায়। ছবির শিরোনাম ‘সার্ফিং’। কবে নাগাদ মুক্তি পাবে সেটি এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। তবে শিগগিরই এ নিয়ে জানানো হবে।

মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে দেশের ছবির পাশাপাশি বাইরের ছবিগুলোও সমানতালে চলে। সেই জায়গা থেকে দর্শকদের আগ্রহ কোন ছবিগুলোর প্রতি বেশি থাকে?

হলিউডের চেয়ে দেশের ছবিগুলোর প্রতি দর্শকদের আগ্রহ বেশি। স্টার সিনেপ্লেক্সে হলিউডের অনেক বিখ্যাত ছবি রিলিজ হয়। সেগুলোর প্রতি যে আগ্রহ কম তেমনটা নয়। তবে আমাদের দর্শক আমাদের ছবিই দেখতে চায়। নিজের ছবির প্রতি সেই ভালোবাসাটা আমাদের দর্শকদের রয়েছে।

দেশের ছবিগুলো থেকে হলগুলো ব্যবসায়িকভাবে সফল হচ্ছে না। এই অভিযোগটা অনেক শোনা যায়। আপনি এ প্রসঙ্গে কী বলবেন?

দেশের ছবিগুলো থেকে ব্যবসা হয় না সেটি আমি বলবো না। তবে ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা থাকে না। দেখা যায়, বছরে ২-৩টি ছবি দিয়ে ভালো ব্যবসা হচ্ছে। হলগুলো অবশ্যই তাদের ব্যবসায়িক জায়গা থেকেই অভিযোগগুলো তোলে। প্রতিমাসে ভালো ব্যবসা থাকলে এমন অভিযোগ উঠবে না।