চাটখিল থেকে কর্মস্থলে ফিরতে ভোগান্তি

চাটখিলে ঈদে বাড়িতে আসা বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন কর্মস্থলে ফিরতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে। এ সুযোগে পরিবহনগুলো যাত্রীদের থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দিগুণ আদায় করছে।
 

এবার সরকারিভাবে নয়দিন টানা ছুটি থাকায় চাকরিজীবীরা পরিবার নিয়ে নিজ বাড়িতে ঈদ করতে এসেছেন। ঈদ ৭ জুলাই হলেও ছুটি শেষ ৯ তারিখে। আবার বিদ্যালয়গুলোতে প্রথম সাময়িক পরীক্ষা ১১ জুলাই থেকে। এতে করে আরো বেশি বিড়ম্বনা সৃষ্টি হয়। ঈদের দিন বিকেল থেকে অগ্রীম টিকেট বিক্রি করছেন পরিবহন মালিকরা। গাড়ির সংখ্যাও বাড়িয়েছেন। কিন্তু একত্রে এত যাত্রী বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এখানে ট্রেনও নাই। অনেকে বাসে টিকেট না পেয়ে ৮/১০ জন মিলে মাইক্রোবাস ভাড়া করে অন্যান্য সময়ের চেয়ে অধিক ভাড়া দিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য স্থানে যাচ্ছেন। বাসের টিকেট না পেয়ে অনেকে আবার সোনাইমুড়ি হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছেন। চাটখিল থেকে আল বারাকা, এশিয়া, হিমাচল, কে কে, এশিয়া ও যাত্রীসেবা ঢাকা এবং চট্টগ্রামে বলাকা, যাত্রীসেবাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। এ পরিবহনগুলো এখন যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দেড় থেকে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করছে।