জঙ্গি হামলা ও নাশকতা প্রতিরোধে দর্শনা স্থলবন্দর, কেরু অ্যান্ড কোম্পানি, স্থানীয় মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও রেলস্টেশনে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রীদের নিরাপত্তা দেয়ার লক্ষ্যে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
পুলিশ ও বিজিবি সূত্র জানায়, বাংলাদেশ-ভারত সড়ক পথে পাসপোর্ট যাত্রীদের যাতায়াতের পথে সিসি ক্যামেরাগুলো সচল করা হয়েছে এবং এলাকার সড়কের পাশের বনজঙ্গল কেটে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। সীমান্তের যে সব রুট দিয়ে চোরাচালানীরা যাতায়াত করতো সেসকল ফাঁক-ফোঁকর জায়গাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। চেকপোস্টে পাসপোর্ট যাত্রী ছাড়া অন্য কাউকে প্রবেশ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
ঢাকা-কলকাতা এক্সপ্রেস ট্রেনের বিদেশি যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দর্শনা রেলস্টেশনে বিজিবি, জিআরপি পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
দামুড়হুদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ ফকরুল ইসলাম জানান, এ অঞ্চলের স্থাপনাগুলো মধ্যে কেরু অ্যান্ড কোম্পানি, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, এনজিও প্রতিষ্ঠানসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বিজিবি ৬ ব্যাটালিয়নের পরিচালন কর্নেল মোহাম্মদ আমীর মজিদ জানান, সীমান্তের ১২০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে।