ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে গত কয়েকদিনের চলমান অচলাবস্থায় প্রিন্টিং প্রেস এবং সংবাদপত্রের প্রকাশনা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ভারতবিরোধী বিক্ষোভে বেশ কয়েকজন নিহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে সংবাদপত্রের কর্মীরা তাদের বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন।
জন্মু ও কাশ্মিরের শিক্ষামন্ত্রী নঈম আখতার বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় জানমালের নিরাপত্তা ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে কাশ্মিরে সহিংসতায় গত কয়েকদিনে এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৩৬ জন নিহত হয়েছে। যদিও মানবাধিকার গ্রুপগুলো বলছে, মৃতের সংখ্যা ৪০ জন। গোলযোগপূর্ণ এলাকাগুলোতে এখনও কারফিউ বলবত্ রয়েছে। শ্রীনগর ছাড়া প্রায় সব জায়গাতেই ল্যান্ড লাইন, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে।
গত শুক্রবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ঘোষণা দেন, কাশ্মিরীদের প্রতি তাদের রাজনৈতিক,কূটনৈতিক ও নৈতিক সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, কাশ্মিরীদের ওপর ভারতীয় সৈন্যরা যেভাবে তাদের দমন-নিপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে এর প্রতিক্রিয়ায় তিনি একে ‘কালো দিবস’ হিসাবে গণ্য করার জন্য সকলকে আহবান জানান। মূলত: কাশ্মিরের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী হিজবুল মুজাহিদিনের কমান্ডার বুরহান মুজাফ্ফর ওয়ানি নিহত হওয়ার পরই সেখানকার পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে উঠে। বর্তমান অবস্থায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সংকট দেখা দিয়েছে।