সেনাবাহিনীর একাংশের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর তুরস্কের রাজপথ এখন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের সমর্থকদের দখলে। তারা অভ্যুত্থাকারীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেছেন, যদি জনগণ চায় এবং পার্লামেন্ট অনুমোদন করে তাহলে তিনি অভ্যুত্থানকারীদের ফাঁসি দিতে প্রস্তুত আছেন।
ইস্তাম্বুলে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের বাইরে ওইদিন হাজার হাজার লোক বিচারের দাবিতে শ্লোগান দিতে থাকলে এরদোগান বলেন, তিনি মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহাল করার জন্য প্রস্তুত আছেন। তবে এক্ষেত্রে যা দরকার তাহলো পার্লামেন্টের মাধ্যমে এর অনুমোদন হতে হবে। তিনি বলেন, জনগণের রায় সবচেয়ে বড় রায়। আমরা সেই রায়ের প্রতিফলন ঘটাবো।
এরদোগান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন কোথাও কী মৃত্যুদণ্ড চালু নেই? বিভিন্ন দেশে এই মৃত্যুদণ্ড চালু রয়েছে। অথচ ইউরোপিয় ইউনিয়নে এই মৃত্যুদণ্ড চালু নেই। প্রেসিডেন্ট বলেন, তুরস্ক একটি গণতান্ত্রিক দেশ। এখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়। আমরা কখনোই জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যেতে পারি না। এসময় এরদোগান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আহবান জানান, স্বেচ্ছা-নির্বাসনে থাকা তুর্কি ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনকে যেন ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে ক্যু এর পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলছেন, অভ্যুত্থানের ঘটনা এরদোগানের সাজানো নাটক। -আল জাজিরা