উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে যমুনায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারিয়াকান্দি পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মানুষ বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে বড়ইকান্দি থেকে শুরু করে কামালপুর পর্যন্ত ৮ কি.মি. বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে দেড় হাজার পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।
পানি বৃদ্ধির ফলে উপজেলার যমুনার চরাঞ্চলের কাজলা, চালুয়াবাড়ি, কর্ণিবাড়ি, বোহাইল, চন্দনবাইশা, সারিয়াকান্দি সদর, শেরপুর, কুতুবপুর ও কামালপুর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বন্যায় এ পর্যন্ত আড়াই হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে রৌহাদহ ও আবদুল মান্নান মহিলা কলেজ পয়েন্টে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত আড়াই হাজার পরিবারের মাঝে ৫০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আবদুল মান্নান ।