নওগাঁর রাণীনগর-সান্তাহার আঞ্চলিক মহাসড়কের মাত্র ৮ কিলোমিটারে রয়েছে ৭টি ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্ট বা ছোট আকারের ব্রিজ। কিন্তু এর মধ্যে পাল্লা ব্রিজটি গত মঙ্গলবার রাতে ভেঙে পড়ায় মালবাহী বড় যানবাহন চলাচল করতে না পারায় বর্তমানে রাণীনগর থেকে সান্তাহার চলাচল বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয়রা ইট দিয়ে জোড়াতালি দেওয়ায় কোনোমতে চলাচল করছে ছোট ছোট যানবাহন। দীর্ঘদিন পূর্বে তৈরি করা এসব কালভার্টের প্রশস্ততা বর্তমান তৈরিকৃত সান্তাহার-নাটোর বাইপাস মহাসড়কের চেয়ে প্রায় আকারে ৪ ফুট কম। আবার কোনোটি সড়কের চেয়ে অনেক উচুঁ। কিছু কিছু কালভার্টের দীর্ঘদিন কোনো সংস্কার না করায় মাঝের অংশ ভেঙে পড়ায় সড়ক কর্তৃপক্ষ লোহার মোটা পাতের জোড়া তালি দিয়ে চালিয়ে নিচ্ছেন। ফলে নিত্যদিন ঘটছে দুর্ঘটনা।
জানা গেছে, সান্তাহার-ঢাকা রোড থেকে নাটোর পর্যন্ত এই বাইপাস আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ প্রায় ১০ বছর পূর্বে শুরু হলেও রাণীনগর পর্যন্ত সামান্য পরিমাণ কাজ হবার পর অজ্ঞাত কারণে বন্ধ রয়েছে।
কাজের শুরুতে রাণীনগর রেল স্টেশন হতে সান্তাহার-ঢাকা রোড পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার সড়কের কাজ আবার নতুন করে কিছুদিন পূর্বে সম্পন্ন হলেও নতুন করে এইসব ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টের কোনো কাজই করা হয়নি। মাত্র সাড়ে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে ৭টি কালভার্ট। এই ৭টি ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টের মধ্যে পানলা গ্রামের সামনের কালভার্টটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এই কালভার্টের পাটাতন অন্তত ১০ বার জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে। বড় বড় ট্রাক এ কালভার্টের ওপর এসে দুর্ঘটনায় পড়ে।
বর্তমানে আত্রাই-রাণীনগর-নওগাঁ মহাসড়কের অবস্থা বেহাল হওয়ার কারণে এবং এই বাইপাস সড়কে সান্তাহার ও নওগাঁ যাওয়ার জন্য সময় খুব লাগে বলে বড় বড় মালবাহী ট্রাকসহ ছোট ছোট যানবাহন এই বাইপাস সড়কটিই বেশি ব্যবহার করছে।