সিরিয়ার ইদলিবে গতকাল রাশিয়ার বিমান হামলায় কমপক্ষে পাঁচ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরো বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। দেশটির হোয়াইট হেলমেট সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি এ খবর জানিয়েছে। খবর আনাদোলু নিউজ এজেন্সির
হোয়াইট হেলমেট সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানিয়েছে, ইদলিব প্রদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে এ বিমান হামলা চালানো হয়। প্রদেশটির বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে ওইদিন সকাল থেকে এ হামলা চলে। ছয়টি রুশ জঙ্গি বিমান এ হামলা চালায় বলে খবরে বলা হয়েছে। বেশি হামলা হয়, আল ফাকি , শেখ মোস্তফা ও আল হামিদিয়া গ্রামে। ডিফেন্স এজেন্সিটি জানায়, হামলায় এক ব্যক্তি ও তার চার সন্তান প্রাণ হারায়। তারা আল ফাকি গ্রামের অধিবাসী। সূত্র আরো জানায়, বিমান হামলায় তাদের বাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলে সেখান থেকে সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যান সন্তানদের মা। তাকে উদ্ধারকর্মীরা পরে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যায়। অন্য একটি সূত্র জানায়, বিমান হামলার মূল টার্গেট ছিল ইদলিবের ফ্রিক, শেখ মোস্তফা, আল হামিদিয়া এবং কাফর রুমাহ’র আশেপাশের এলাকা। একটি পর্যবেক্ষক সংস্থা জানায়, ছয়টি যুদ্ধবিমান থেকে ওই বিমান হামলা চালানো হয়। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় লাটাকিয়া প্রদেশের খেমিমিম বিমান ঘাঁটি থেকে ওই হামলা চালানো হয়। গত বছর সেপ্টেম্বরে তুরষ্ক ও রাশিয়া সম্মত হয়েছিল যে, ইদলিবকে তারা বেসামরিক অঞ্চল বানাবে। তুরষ্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এক বৈঠকের পর তারা এ ব্যাপারে সম্মত হন। এ নিয়ে আঙ্কারা এবং মস্কো সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। রাশিয়ার সোচি শহরে ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
আসাদ সরকারকে উত্খাতে পশ্চিমা দেশগুলোর সম্মতি ও সংশ্লিষ্টতা সত্ত্বেও তাকে দুর্বল করতে সমর্থ হয়নি বিরোধীরা। আট বছর ধরে চলমান গৃহযুদ্ধের বর্তমান বাস্তবতায় বিদ্রোহীদের দখলকৃত বেশিরভাগ অঞ্চলে নিজেদের পুনঃনিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে আসাদ সরকার। বিদ্রোহীদের সর্বশেষ বড় অবস্থান রয়ে গেছে শুধু ইদলিব প্রদেশেই। এক সময়ে আল কায়েদা সমর্থিত গ্রুপ হায়াত তাহরির আল শাম (এইচটিএস) প্রদেশটি নিয়ন্ত্রণ করছে।