মুন্সীগঞ্জে শুক্রবার নিম্নাঞ্চলের আরও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পরেছে কয়েক হাজার পরিবার। পদ্মা তীরের বাড়িঘর জলমগ্ন ছাড়াও বহু ফসলী জমি তলিয়ে গেছে। চর এলাকায় বানভাসি মানুষের কষ্ট বেশি। পদ্মার পানি শুক্রবার ভাগ্যকূল পয়েন্টে বিপদসীমার ৪১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছিল।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল জানান, পদ্মার এই পয়েন্টে ২৪ ঘন্টায় ৮ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। এদিকে এই সময়ে মাওয়ায় পানি বেড়েছে আরও বৃদ্ধি পেয়ে এখন বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটার উপরে। এতে অনেক শিক্ষালয় জলমগ্ন হয়েছে।
মাওয়ার কাছে জসলদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং জসলদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি উঠেছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়টির একটি কাস রুম ছাড়া সব কাস রুমে পানি ঢুকেছে। ঝুকি নিয়ে শুধু পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বাকি সকল শ্রেণিকে ছুটি দেয়া হয়েছে। উচ্চ বিদ্যালয়ে কাস চলমান রয়েছে। এদিকে জলবদ্ধতার কারণে শহরের ইদ্রাকপুর ২ নম্বর সরকারি প্রাথমিক মডেল স্কুলে বন্ধ রেখে শিক্ষাকার্যক্রম চালানো হচ্ছে পাশের ইদ্রাকপুর ২ নম্বর মডেল স্কুলে।
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল জানান, প্রশাসন জলমগ্ন এলাকার মানুষের পাশে রয়েছে। সরকারিভাবে সবরকম প্রস্তুতি রয়েছে।