নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার রজয়পুর গ্রামে একমাত্র মেটোপথটি পাকাকরণ না হওয়ায় চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে এলাকাবাসী। বর্ষার কয়েক মাস রাস্তাটি কর্দমাক্ত থাকে। এ রাস্তা চলাচল করতে গেলে পা হাঁটু পর্যন্ত কাদার ভিতরে দেবে যায়। শিক্ষার্থীদের হাঁটু কাদা পেরিয়ে নিত্যই স্কুলে যেতে হয়।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী রাস্তাটি পিচঢালা করার দাবি জানালেও স্থানীয় প্রশাসন এর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করে নাই।
শুক্রবার দুপুরে গ্রামবাসী রাস্তার উপর বেশ কিছু অংশে ধানের চারা রোপন করে এর প্রতিবাদ জানায়।
শুক্রবার বিকেলে সরজমিনে জানা গেছে, রজয়পুর গ্রামে চার শ লোকের বসবাস। গ্রামে প্রায় ২০ বছর আগে এক কিলোমিটার দূরত্বের একটি কাঁচামাটির রাস্তা নির্মাণ করা হয়। রাস্তাটি বাঁকাচারা হতে পাতনা রাস্তায় যুক্ত হয়। খরা মৌসুমে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে কয়েক মাস হাঁটু পর্যন্ত কাদা হয়ে যাওয়ায় রাস্তাটি চলাচলের একেবারে অনুপযোগী হয়ে যায়। এ কারণে গ্রামের মানুষদের প্রতিদিন মহাদেবপুর ও নওগাঁসহ বিভিন্ন স্থানে চলাচল করতে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হয়। এদিকে বর্ষার এই কয়েক মাস ধান ও সবজিসহ অন্যান্য ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন কৃষকরা। তাই এ ভোগান্তি থেকে নিষ্কৃতি পেতে এক কিলোমিটার রাস্তা পিচঢালা করার দাবি জানিয়ে আসছে এলাকাবাসী। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
গ্রামের বাসিন্দা পরেশ চন্দ্র হাজরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা বছরের পর বছর ধরে হাঁটু-সমান কাদার উপর দিয়ে চলাফেরা করলেও এলাকাটি হিন্দু অধ্যুষিত বলে রাস্তাটি সংস্কারে এখন পর্যন্ত কোন জনপ্রতিনিধি বা সরকার উদ্যোগ নেয়নি।’
স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম উদ্দিন তলফদার জানান, রাস্তাটি পিচঢালা করতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।