এক মাসেও গুলশান হামলাকারীদের লাশ চায়নি পরিবার

গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার এক মাস পার হয়ে গেলেও হামলাকারীদের লাশ চায়নি তাদের পরিবার। সোমবার পুলিশ জানায়, হামলাকারীদের লাশগুলো এখনো হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। 
 
গত ২ জুলাই ভোরে গুলশানের রেস্তোরাটিতে জিম্মি উদ্ধারে সেনাবাহিনীর কমান্ডো অভিযানে ছয় জন নিহত হয়। পরে সেনাসদরে সংবাদ ব্রিফিংয়ে নিহতদের সবাইকে সন্ত্রাসী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তবে ঢাকা মহানগর পুলিশ পরে জানায়, নিহত ছয়জনের একজন ওই রেস্তোরার রান্নাঘরের কর্মী ছিলেন। হামলাকারীরা ১৭ জন বিদেশিসহ ২০ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
 
হামলাকারীদের ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর চার জনের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। ইসলামিক স্টেট (আইএস) তাদের সংবাদ সংস্থা আমাকের মাধ্যমেও হামলাকারীদের ছবি প্রকাশ করে।
 
পরিবারের সদস্য ও এক সময়ের বন্ধুরা জঙ্গিদের ছবি দেখে সনাক্ত করে বিভিন্ন তথ্য দেন। এদের মধ্যে অন্তত দুজন দীর্ঘ সময় নিখোঁজ থাকার কারণে তাদের পরিবার থেকে থানাতে জিডি করা হয়েছিল।
 
যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, স্কলাসটিকা থেকে ও লেভেল পাস করা মীর সামেহ মোবাশ্বের, মালয়েশিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নিবরাস ইসলাম ও বগুড়ার একটি মাদ্রাসার ছাত্র খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল।
 
এদের মধ্যে বগুড়ার খায়রুলই গুলশানে হামলার নেতৃত্বে ছিলেন বলে জানায় পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আরো হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য ছিল।