মির্জাপুর উপজেলার ১২০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। বন্যার পানির কবলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না। এদিকে বন্যার পানি দিন দিন বাড়তে থাকায় ওইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। তবে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়নে ১৬৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৪টি মাদ্রাসা ও আটটি কলেজ রয়েছে।
গত একমাস ধরে বন্যার পানি বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার ১৪ ইউনিয়নের মধ্যে ১০টির ১২০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যার পানির কবলে পড়েছে, রাস্তা তলিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না। পানি বাড়তে থাকায় গত ১ আগষ্ট থেকে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা হওয়ার রুটিন দেয়া হলেও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুম আহমেদ বলেন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, রাস্তাঘাট ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে। বরাদ্দ আসামাত্র তাদের সহায়তা করা হবে।