বন্যার পানি কমার সাথে সাথে শাহজাদপুর উপজেলার পূর্বাঞ্চলের যমুনার তীরবর্তী কৈজুরী ইউনিয়নের হাট পাচিল ও গালা ইউনিয়নের গালা গ্রামে আবারো ভাঙন শুরু হয়েছে। আগ্রাসি যমুনার ভয়াবহ ভাঙনের ফলে ইতোমধ্যে ৮/১০টি ঘর-বাড়ি যমুনা গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা না থাকায় পাচিল গ্রাম এখন হুমকির মুখে। নদীতে ঘর-বাড়ি বিলীন হয়ে যাওয়ায় গৃহহারা পরিবার-পরিজন নিয়ে নানামুখী জীবন-যাপন করছে।
একদিকে বন্যার পানিতে প্লাবিত অপরদিকে ভয়াবহ ভাঙন সব কিছু মিলে এই হাট পাচিল ও গালা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক উত্কণ্ঠা বিরাজ করছে। গত চারদিনে সর্বনাশা যমুনার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেকৈজুরী ইউনিয়নের হাট পাচিল গ্রাম, গালা ইউনিয়নের গালা ও জালালপুর ইউনিয়নের ভেকা গ্রাম।
উপজেলা যমুনার তীরবর্তী প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি গ্রাম গত কয়েক বছরে যমুনায় গ্রাস করেছে। কখনো রাক্ষুসি, কখনো শান্ত স্নিগ্ধ যমুনা গৃহহারা করেছে লক্ষাধিক মানুষকে। নদী ভাঙনে সিসি ব্লকে কখনো বালুর বস্তা, ডাম্পিং দিয়ে প্রতিরোধ করার চেষ্টা হলেও তা যেন শুনছে না রাক্ষুসি যমুনা।
কৈজুরী ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম জানান, যমুনার তীরবর্তী এলাকা প্রতিবছর ভাঙছে। বিশেষ করে পাচিল গ্রাম এখন হুমকির সম্মুখীন। এই ভাঙন প্রতিরোধের জন্য ইতোমধ্যেই স্থানীয় এমপি ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অতি জরুরিভাবে পদক্ষেপ না নেওয়া হলে পুরো গ্রামটি নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইত্তেফাক/এ এন