‘আমার কপাল পোড়া, বুড়া বয়সে খয়রাত কইরা খাই। কেউ আমারে একটা বয়স্ক ভাতাও দেয় না। আর কত বয়স অইলে বয়স্ক ভাতা পামু, আরতো চলতে পারি না, এক বেলা খাই আর দুই বেলা না খাইয়্যা থাহি’ -কান্না জড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলেন ৮১ বছর বয়সি বিধবা কাপ্তানের নেছা। তিনি মুরাদনগরের বাঙ্গরা বাজার থানার বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের দীঘিরপাড় গ্রামের মৃত কেরামত আলীর স্ত্রী।
৩০ বছর আগে স্বামী কেরামত আলীর মৃত্যু হয়েছে। ছেলে নেই, একটি মেয়ে আছে তার বিয়ে হয়ে গেছে। বিধবা কাপ্তানের নেছার ভিটেমাটি বলতে কিছু নেই, রাতে থাকেন একটি রান্না ঘরে। এটিও অন্যের রান্না ঘর। হতদরিদ্র এ বৃদ্ধা রাত পোহালে খাবারের সন্ধানে হাটতে থাকেন এ বাড়ি ওবাড়ি। টাকার অভাবে চিকিত্সাও করাতে পারছেন না। ৮১ বছর বয়স হলেও এখন পর্যন্ত তার কপালে জোটেনি বয়স্ক ও বিধবা ভাতার কার্ড।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মনির হোসেন মোল্লা বলেন, আমার কাছে বৃদ্ধার আইডি কার্ডটি আছে। চেষ্টা করছি তাকে ভাতার ব্যবস্থা করে দেয়ার।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মিতু মরিয়ম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। যত তাড়াতারি সম্ভব তাকে সরকারিভাবে বয়স্ক ভাতার ব্যবস্থা করে দেবো।