দেশের বিভিন্ন স্থানে গৃহবধূসহ তিনজন খুন হয়েছেন। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর:
প্রকৌশলীর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা
বাগেরহাট:বৃহস্পতিবার রাতে বাগেরহাট শহরে গণপূর্ত বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহিমের স্ত্রী হোসনে আরা বেগমকে(৬০) গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তার স্বামী ওমরা হজ্ত পালন করতে সৌদি আরবে রয়েছেন। নিহতের ছোট বোন ঝর্ণা বেগম বলেন, আমার বড় ভাগ্নের ফোন পেয়ে এসে দেখি বোনের রক্তাক্ত লাশ খাটের উপর পড়ে আছে। ঘরের সব দরজা খোলা। দুটি আলমিরা ভাঙা।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায় জানান, নিহতের স্বামীসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যার পর লাশ ফেলে রেখে গেছে।
লাঠির আঘাতে বৃদ্ধ নিহত
বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ): শুক্রবার সকালে বেলকুচিতে জমি নিয়ে বিরোধ সংক্রান্ত শালিস বৈঠক চলাকালে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তার নাম জহুরুল ইসলাম জহু(৬৫)। বেলকুচি থানার ওসি আনোয়ারুল ইসলাম জানান, উপজেলার মুকন্দগাঁতী পশ্চিমপাড়া এলাকার জহুরুল ইসলামের সাথে প্রতিবেশী বাছেদ প্রামাণিকের জমিজমা নিয়ে বিরোধ ছিল। এ নিয়ে ঘটনার দিন বাড়ির পাশেই শালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে বাছেদ প্রামাণিকের ছেলে ইব্রাহিম ও খলিলসহ তাদের লোকজন জহুরুল ইসলাম জহুকে পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় বাছেদ প্রামানিকের স্ত্রী লতা খাতুন ওরফে আছিয়া খাতুন ও ওয়াজেদ প্রামানিকের স্ত্রী শেফালী বেগমকে আটক করা হয়েছে।
পিটুনিতে আহত ব্যক্তির মৃত্যু
ভাঙ্গা (ফরিদপুর): ভাঙ্গার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের শেকপুড়া গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পিটুনিতে আহত বাচ্চু সেক(৫০) শুক্রবার ভোরে মারা গেছেন। এ ব্যাপারে নিহতের স্ত্রী তাছলিমা বেগম বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় মামলা করেছেন। থানার ওসি কাজী সাঈদুর রহমান বলেন, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে মারামারি হয়। ওই সময় বাচ্চু সেক ও তার ভাই ইমারত সেক গুরুতর আহত হয়। উভয়কেই ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিত্সার জন্য বাচ্চুকে ফরিদপুরে পাঠানো হয়। শুক্রবার সকালে বাচ্চু সেক ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে।