এটুআই ও টিটিসি’র উদ্যোগে ৪ স্কুলে ফ্লিপড ক্লাসরুম

দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হল শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তি সদব্যবহার নির্ভর কার্যক্রম ‘ফ্লিপড ক্লাসরুম’। মোবাইল এখন আর শুধু যোগাযোগের মাধ্যমই নয় শিক্ষার উপকরণ হিসেবে দেখছেন শিক্ষাবিদরা।
 
ফ্লিপড ক্লাসরুম যৌথভাবে পরিচালনা করছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) ও টিটিসি ঢাকা। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ হিসেবে দেশের চারটি স্কুলকে এ কার্যক্রমের জন্য বাছাই করা হয়েছে ।
 
বলা হচ্ছে এই প্রযুক্তির ফলে সনাতনি ক্লাসরুমের ধারণা পাল্টে যাবে । শিক্ষার্থী আগে থেকেই বিষয়ের ধারণা নিয়ে আসতে পারবে ক্লাসরুমে। আমাদের প্রচলিত ধারায় শিক্ষক যখন ক্লাসে পাঠদান করেন তখন শিক্ষার্থী সে অধ্যায়ের বিষয়ের প্রতি যুক্ত হতে কষ্ট হয় কারণ তার অধ্যায়ের বিষয়ের কোন পূর্ব ধারণা থাকে না। ফ্লিপড ক্লাসরুম এমন একটি পদ্ধতি যা নিজে নিজে অনুধাবনের ক্ষমতা বাড়াবে। প্রচলিত পদ্ধতিতে পূর্ব প্রস্তুতি থাকতে হয় পাঠ উদ্ধার করতে তাকে কারো না কারো সহযোগিতা নিতে হয়। ফ্লিপড ক্লাসরুম সেই সহযোগিতা নেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। তাকে মোবাইলে পরের দিনের ক্লাসের বিষয় ভিডিও দিয়ে দেয়া হবে যা তার জন্য এক সহায়ক হিসেবে কাজ করবে অর্থাৎ ভিডিও ক্লিপটি মেন্টরের ভূমিকা পালন করবে। পরের দিনের ক্লাসের বিষয় তার কাছে পরিস্কার হয়ে যাবে এবং তার নিকট যুক্তিসঙ্গত অনেক গুলো প্রশ্ন ভিড় করবে। যাতে তার সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পাবে। 
 
মানিকগঞ্জ, কলাবাগান লেক সার্কাস গার্লস স্কুল, শিবপুর নরসিংদি মোহর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও আহসান উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাথমিকভাবে আওতাভূক্ত করা হয়। আজ ২৫ সেপ্টেম্বর কনটেন্ট ডেভেলপারদের তৈরি সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান বিষয়ের ভিডিও ক্লিপ আহসান উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল হাই এর কাছে এটুআই ও টিটিসি ঢাকার পক্ষে মির্জা মো. দিদারুল আনাম ও রাজিয়া বেগম হস্তান্তর করেন। প্রধান শিক্ষক  সকল অভিভাবকদের স্বল্পমূল্যের মেমরি কার্ড কেনার অনুরোধ করেন। এসময় ছাত্র-শিক্ষক -অভিভাবক ও বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিষদের সদস্য ও বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপস্থিত ছিলেন।
 
ইত্তেফাক/সিবি/ইএইচএম/এমএইচ