মধ্যপ্রাচ্যে জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের খেলাফতের অবসানকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, আইএস এখনো বিশ্বের জন্য হুমকি। কারণ বিভিন্ন স্থানে এই জঙ্গি গোষ্ঠীটি ছড়িয়ে আছে। খবর বিবিসি’র
মার্কিন কোয়ালিশন সমর্থিত সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) শনিবার জানায়, খিলাফতের সম্পূর্ণ উচ্ছেদ’ এবং ‘আইএসের দখল করা সব এলাকা শতভাগ মুক্ত। পূর্ব সিরিয়ায় আইএসের সর্বশেষ ঘাঁটি বাঘুজ শনিবরাই দখলে নিয়ে এসডিএফ তাদের পতাকা উড়িয়েছে বলে জানায়। সম্পূর্ণ পরাজিত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের যে কোনো স্থানে আইএসের ওপর নজরদারি অব্যাহত রাখবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরাক এবং সিরিয়ায় আইএস পরাজিত হলেও নাইজেরিয়া এবং ফিলিপাইনে ছড়িয়ে আছে।
২০১৪ সালে জিহাদি গ্রুপটি ‘খেলাফত’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়। যার নাম হয় ইসলামিক স্টেট। এ সময় তারা সিরিয়া এবং ইরাকের ৮৮ হাজার বর্গ কিলোমিটার ভূখন্ড নিয়ন্ত্রণ করতো। তারা মসুল এবং তিকরিতসহ অনেক ইরাকি শহর এবং সিরিয়ার বৃহত্তম হোমস তেলক্ষেত্র দখল করে নেয়। তেল বিক্রি, চাঁদাবাজি, অপহরণ এবং ডাকাতি করে তারা শত শত কোটি ডলার আয় করেছিল। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভূখন্ডহীন আইএস এখনো বিশ্ব নিরাপত্তার প্রধান হুমকি। মার্কিন কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, আইএসের ১৫ থেকে ২০ হাজার সশস্ত্র সদস্য ওই অঞ্চলে সক্রিয় রয়েছে। এর অনেকগুলোই ‘স্লিপার সেল’ অর্থাত্ তারা এখন গোপনে অবস্থান করছে এবং আইএস পুনর্গঠিত হওয়া শুরু করলেই তারা আবার ভেসে উঠবে।