প্রশ্ন-১: পরিবেশ কীভাবে দূষিত হয়? পরিবেশ সংরক্ষণের ৫টি উপায় লিখ।
উত্তর: পরিবেশ দূষণ: বিভিন্ন ক্ষতিকর ও বিষাক্ত পদার্থ পরিবেশে মিশে পরিবেশ দূষিত হয়।
পরিবেশ সংরক্ষণের উপায়: পরিবেশ সংরক্ষণের পাঁচটি উপায় নিম্নে উল্লেখ করা হলো:
১) বনজঙ্গল কাটা বন্ধ করা এবং ঘরবাড়ি, স্কুল কলেজ ও রাস্তার পাশে গাছ লাগানো।
২) পরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর ও কলকারখানা নির্মাণ করা।
৩) কলকারখানার বর্জ্য ও কালো ধোঁয়া আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে পরিশোধনের ব্যবস্থা করা।
৪) প্লাস্টিক ও পলিথিন যেখানে সেখানে না ফেলা এবং মৃত জীবজন্তু মাটি চাপা দিয়ে রাখা।
৫) খোলা জায়গায় যেখানে সেখানে মলমূ্ত্র ত্যাগ না করে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার করা।
প্রশ্ন-২: শব্দ দূষণ কী? শব্দ দূষণের পাঁচটি কারণ লিখ।
উত্তর: শব্দ দূষণ:যে মাত্রার শব্দে আমাদের শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হয় তাকে শব্দ দূষণ বলে। সাধারণত ৭৫ ডেসিবল এর অধিক মাত্রার শব্দ মানুষের নিকট শব্দ দূষণ ঘটায়।
শব্দ দূষণের কারণ: শব্দ দূষণের পাঁচটি কারণ নিম্নরূপ:
১) বিনা প্রয়োজনে গাড়ির হর্ণ, মাইক বাজালে শব্দ দূষণ ঘটে।
২) কলকারখানায় বড় বড় যন্ত্রপাতির ব্যবহারের ফলে শব্দ দূষিত হয়।
৩) লোডশেডিং এর কারণে জেনারেটর চালানোর ফলে শব্দ দূষণ ঘটে।
৪) টেলিভিশন ও রেডিও জোরে বাজালে শব্দ দূষিত হয়।
৫) নির্মাণ কাজে বিভিন্ন যন্ত্রপাতির ব্যবহারের ফলে শব্দ দূষিত হয়।
প্রশ্ন-৩: শব্দ দূষণের পাঁচটি ক্ষতিকর প্রভাব লিখ।
উত্তর: শব্দ দূষণের প্রভাব: শব্দ দূষণের ফলে মানুষের উপর যে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে তা নিম্নরূপ:
১) শব্দ দূষণ মানুষের মানসিক ও শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করে।
২) অবসন্নতা বৃদ্ধি, শ্রবণশক্তি ও কর্মদক্ষতা হ্রাস পায়।
৩) মানুষের স্বাভাবিক স্নায়ু সংযোগ ব্যাহত ও মাথা ব্যথা হয়।
৪) নিদ্রাহীনতা দেখা দেয় ও মেজাজ খিটখিটে হয়।
৫) রক্ত চলাচলে বাধার সৃষ্টি করে, রক্তচাপ ও হূদ স্পন্দন ব্যাহত হয়।
প্রাণিকূলের স্বার্থে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সকলের সচেতন ও আন্তরিক হওয়ার উচিত।