সময় হলে তবেই অবসর: যুবরাজ

আরো একটা মৌসুম পরাজয় দিয়ে শুরু করলো মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ঋশভ পান্টের অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে ভর করে মুম্বাইকে ৩৭ রানে হারালো নতুন নামে খেলতে নামা দিল্লি ক্যাপিটালস। অনেকটাই একপেশে হয়ে পড়া এই ম্যাচে মুম্বাইয়ের হয়ে লড়াই করলেন কেবল এই দলের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা যুবরাজ সিং।

সাবেক ভারতীয় তারকা যুবরাজ ৩৫ বলে ৫৩ রান করেও দলের হার এড়াতে পারেননি। তবে এটা প্রমাণ করতে পেরেছেন যে, এখনো সেই যুবি ফুরিয়ে যায়নি। নিজের শেষের দিকে চলে আসা যুবরাজ বলছিলেন, এখনো নিজের অবসর নিয়ে কিছু ভাবছেন না তিনি। তবে সময়টা টের পেলে নিজেই সবার আগে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে বলছিলেন।

মুম্বাই বনাম দিল্লি ম্যাচের সবটুকু আলো কেড়ে নিয়েছিলেন পান্ট। ২৭ বলে ৭টি করে চার ও ছক্কায় ৭৮ রানের ইনিংস খেলে দলের স্কোর ২১৩ করেন। একদিকে অস্ট্রেলিয়ায় টেস্টে দুটো সেঞ্চুরি করে ফিরেছেন, অন্য দিকে টি-টোয়েন্টিতে এই বিধ্বংসী রূপ। পান্টকে প্রশংসায় ভাসালেন তার পূর্বসূরি যুবরাজ। বলছিলেন, ‘ঋশভ আজ অসাধারণ ছিল। গত মৌসুমটা সে দুর্দান্ত কাটিয়েছে। সে টেস্ট ম্যাচেও অসাধারণ খেলছে। দেশের বাইরে দুটো সেঞ্চুরি করাই ওর চরিত্রের দৃঢ়তা প্রমাণ করে। ওকে এখন ভালোভাবে দেখভাল করতে হবে। আশা করি, ও আমাদের (ভারতের) জন্য বড় একটা ব্যাপার হবে।’

দিল্লির বিপক্ষে পরাজয়ের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে যুবরাজ বলছিলেন, রোহিত শর্মার উইকেট দ্রুত হারানোই তাদের বিপদের কারণ হয়েছে। এরপর ডি কক ও পোলার্ডের উইকেট হারানোর দিকেও আঙুল তুললেন যুবরাজ, ‘রোহিতের উইকেট দ্রুত হারানোটা একটা বড় কারণ ছিল। এরপর ডি কক ভালো করছিল। কিন্তু ওর উইকেটও হারালাম আমরা। পোলার্ড এসে দ্রুত আউট হয়ে গেল। ফলে আমরা ভালো জুটি পাইনি। অন্তত ২০-৩০ রানের একটা জুটি পেলেও আমরা আরো কাছে যেতে পারতাম। এটা ১৮০-১৯০ রানের উইকেট। ২১৩ এখানে ম্যাচ জেতার স্কোর হয়ে গেছে ওদের।’ এক পর্যায়ে তার অবসরের প্রশ্ন এলো। এত ভালো খেলার পরও বয়সের ডাক শুনতে পাচ্ছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে যুবরাজ বলছিলেন, ‘সময় এলে আমিই সবার আগে বুট খুলে রাখবো। আমি শচিনের (টেন্ডুলকার) এ নিয়ে কথা বলেছি। সেও ৩৮-৩৯ বছর বয়সে এরকম সময় পার করেছে। ওর সাথে কথা বলে আমার উপকার হয়েছে। গত দুই বছরে আমার উত্থান-পতন গেছে। আমি ক্রিকেট শুরু করেছিলাম, খেলাটা ভালোবাসি বলে। ফলে যতদিন ভালোবাসবো, খেলে যাবো।’