শেষ টি-টোয়েন্টিতেও নিজেদের মেলে ধরতে পারলো না শ্রীলঙ্কা। বরং ক্রিকেটের সবচেয়ে ছোট সংস্করণে প্রথমবারের মতো শ্রীলঙ্কাকে হোয়াইটওয়াশ করলো দক্ষিণ আফ্রিকা। রবিবার রাতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে প্রোটিয়ারা বৃষ্টি আইনে ৪৫ রানে হারায় সফরকারী লঙ্কানদের। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
এর আগে সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৫-০ ব্যবধানে জিতে দক্ষিণ আফ্রিকা। এর অর্থ হলো সীমিত ওভারের ক্রিকেটে আবারো নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলো স্বাগতিক প্রোটিয়ারা।
জোহানেসবার্গে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করতে নামে শ্রীলঙ্কা। নামের পাশে ১৫ রান রেখে প্রথম ব্যাটম্যান হিসেবে সাজঘরে ফিরেন ওপেনার এইডেন মার্করাম। তবে দ্বিতীয় উইকেটে দুর্দান্ত একটি জুটি গড়েন রেজা হেনড্রিক্স ও ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস। মারমুখী মেজাজেই রান তুলেন তারা। এতে দলীয় স্কোর শতরানে পৌঁছে যায়। এসময় হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন দু’জনই।
৮টি চার ও ২টি ছক্কায় ৫২ বলে ৬৬ রান করে আউট হন হেনড্রিক্স। প্রিটোরিয়াসের সঙ্গে ৫৫ বলে ৯০ রান যোগ করেন হেনড্রিক্স। দলকে বড় সংগ্রহ দিয়েই মাঠ ছাড়েন প্রিটোরিয়াস। সাতটি চার ও তিনটি ছক্কায় ৪২ বলে অপরাজিত ৭৭ রান করেন। তার সঙ্গী অধিনায়ক জেপি ডুমিনি ১৪ বলে ঝড়ো ৩৪ রান করেন। তার ইনিংসে দু’টি চার ও তিনটি ছক্কা ছিল। তৃতীয় উইকেটে ৩০ বলে অপরাজিত ৭১ রান করেন প্রিটোরিয়াস ও ডুমিনি। ২০ ওভারে দুই উইকেটে ১৯৮ রানের সংগ্রহ পায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
জবাবে ১৯৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ১১.১ ওভারে ছয় উইকেটে ১১১ রান তুললে পরাজয় প্রায় নিশ্চিত হয় শ্রীলঙ্কার। এরপর বৃষ্টি নামলে ১৭ ওভারে জয়ের জন্য ১৮৩ রানের টার্গেট পায় তারা। অর্থাত্ ঐসময় ৩৫ বলে ৭২ রান দরকার ছিল শ্রীলঙ্কার। শেষ পর্যন্ত ১৩৭ রানে গুটিয়ে যায় লঙ্কানরা। ওপেনার নিরোশান ডিকবেলা ২২ বলে ৩৮ ও ইসুরু উদানা ২৩ বলে ৩৬ রান করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার আন্দিলে ফেলুকুওয়াও ২৪ রানে ৪ উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস। অন্যদিকে সিরিজ সেরা হন রেজা হেনড্রিক্স।
— বাসস/ক্রিকবাজ