সড়কে নৈরাজ্য সীমা ছাড়িয়ে গেছে। ঘর থেকে বেরিয়ে অক্ষতভাবে ঘরে ফেরা যাবে কি না তার নিশ্চয়তা নেই। বাসমালিক, বিআরটিএ, ট্রাফিকব্যবস্থা, জনগনের সচেতনতা সবটাতেই সমস্যা আছে। যে কারণে সড়ক দুর্ঘটনা কমছে না। ঘাতক চালকদের বিচার হচ্ছে না। হেলপার চালক। বাসের রুট পারমিট নেই। এসব দেখভাল করবে কে? বিআরটিএ-তে দুর্নীতি, অনিয়মও যেন নিয়ম। সংবাদপত্রগুলো এসব নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে। তারপরও তো দুর্নীতি কমে না? ফিসনেস নেই। সেরকম বাস চলে কিভাবে? সরকার দলীয় লোকজন সড়ক পরিবহন সমিতির নেতৃস্থানীয় পদে। তাহলে অনিয়ম দূর হবে কিভাবে? ফুটওভারব্রিজ কোনো সমাধান নয়। সড়কে নিয়ম-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেজন্য প্রয়োজনে সরকারকে যদি হার্ড লাইনে যেতে হয়—তবু যেতে হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না। হোক সে যত প্রভাবশালী। আমরা কম দায়ী নই। কারণ ট্রফিক আইন আমরা মানি না। যখন তখন রাস্তা পার হই। চলন্ত ব্রিজ আছে। হাঁটতে হয় না। তবু একদল মানুষ হাত জাগিয়ে গাড়ি থামিয়ে রাস্তা পার হয়। এদেরকে থামাতে হবে। আইন না মানলে মানাতে হবে। শক্তি প্রয়োগ অন্যায় নয়। যদি তা বৈধ হয়। আইনের প্রতি শ্রদ্বাশীল যারা নয়, তাদের ওপর বল প্রয়োগ অন্যায় নয়। সড়কে কেউ মারা গেলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। কিন্তু আমরা চাই, একটি প্রাণও সড়কে ঝরে পড়বে না। একজন মায়ের বুকও খালি হবে না। একজন বাবাও সন্তান হারাবেন না? একটি শিশুও এতিম হবে না? তাই দুর্ঘটনা যেন না ঘটে, সে ব্যবস্থা নিতে হবে। দুর্ঘটনা কেন হয়—সকলেই জানে এবং বোঝে। তবু দুর্ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। এটা সত্যিই আফসোসের বিষয়। এর সমাধান হওয়া দরকার সত্বর।
মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
মিরপুর ১২, ঢাকা