নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত দাগনভূঞা পৌরবাসী

ফেনীর দাগনভূঞা পৌরসভা শুধু নামেই প্রথম শ্রেণির। পৌরবাসী নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিশুদ্ধ কোনো পানির ব্যবস্থা নেই। নেই পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা। সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। পৌরসভার বেশির ভাগ এলাকায় ময়লার স্তূপ। দুর্গন্ধে পরিবেশ ভারি হয়ে উঠছে। শিক্ষার্থী, মুসল্লি ও পথচারীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঐতিহাসিক দাদনা খালটি ময়লা ও কচুরিপানা এবং দখলবাজদের কবলে পড়ে মরা খালে পরিণত হয়েছে। ফলে জলাবদ্ধতার কারণে কয়েক হাজার কৃষকের ফসলী জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। এই দুর্বিষহ অবস্থা দেখার কেউ নেই। ২০০০ সালের ২ জুলাই পৌর প্রশাসক দিয়ে এ পৌরসভার যাত্রা শুরু হয়। ২০০৪ সালে এটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হয়। ২০১২ সালের ১৫ জানুয়ারি দাগনভূঞা পৌরসভাকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়। ড্রেনেজ ব্যবস্থা অপ্রতুল ও ময়লা আবর্জনার স্তূপে খাল,নালা দখলবাজদের কবলে থাকায় মাজার, মাদ্রাসা, মসজিদের মুসল্লি, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং পথচারীরা এলাকায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। পর্যাপ্ত ডাস্টবিন না থাকায় চার/পাঁচদিনেও রাস্তা-ঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয় না।
 
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এনসি মিত্র বলেন, পৌরবাসীর জন্য বিশুদ্ধ পানি প্রকল্পের ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও জায়গার অভাবে তা কার্যকর করা যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে। রাস্তার বরাদ্দ না থাকায় সহসা কাজ করা যাচ্ছে না। অপরদিকে ভারপ্রাপ্ত মেয়র সাইফুল ইসলাম জানান, পানি প্রকল্পে জায়গা বরাদ্দ হলে দ্রুত কাজ করা হবে। এছাড়া ঢাকনাবিহীন ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার ও অবৈধ খাল দখল উচ্ছেদ, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারসহ পৌরসভার নাগরিকদের সুবিধার্থে সব ধরনের ব্যবস্থা দ্রুত কার্যকর করা হবে।
 
ইত্তেফাক/এএন