১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। গতকাল সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে দিবসটি পালন করে। কর্মসূচির মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে সন্ধ্যা ৭টায় মোমবাতি প্রজ্বালন, ৭টা ৫ মিনিটে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন এবং ৭টায় ২০ মিনিটে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া কালরাত স্মরণে জগন্নাথ হলসহ বিভিন্ন হলেও বিস্তারিত কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন। সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, আজকের এই দিনে আমি শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। একাত্তরের নির্মম হত্যাযজ্ঞের পর থেকেই এ রাতটি কালরাত হিসেবে পরিচিত। এই রাতে সারাদেশে গণহত্যা চলে। তাই এই রাতকে জেনোসাইডের রাত বলা যায়। এ রাতকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন। মোমবাতি প্রজ্বালনের মাধ্যমে পুরো জাতিকে আলোকিত করে সব অন্ধকার দূর করে দেওয়া এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।
বাদ জোহর মসজিদুল জামিয়ায় ২৫ মার্চের রাতে নিহতদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত এবং বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাত ৯টায় ১ মিনিট ২৫ মার্চ কালরাত স্মরণে জরুরি স্থাপনা ব্যতীত সকল জায়গায় ‘ব্লাক-আউট’ কর্মসূচি পালন করা হয়। এছাড়া, ‘৭১-এর ২৫ মার্চ কালরাতে নিহত শহীদদের স্মরণে জগন্নাথ হল পরিবার হল প্রাঙ্গণে এক স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।