জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার বাংলা

 

পাখিদের মধ্যে একটু দেরি করে আসত কারা?

বাংলা

মো. সুজাউদ দৌলা, সহকারী অধ্যাপক

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

তৈলচিত্রের ভূত

 

প্রশ্ন ১। নগেন কোথায় থেকে কলেজে পড়ে?

উত্তর: মামাবাড়িতে থেকে নগেন কলেজে পড়ে।

প্রশ্ন ২। পরাশর ডাক্তার কোথায় বসে চিঠি লিখছিলেন?

উত্তর: নিজের প্রকাণ্ড লাইব্রেরিতে বসে।

প্রশ্ন ৩। মৃত ব্যক্তির আত্মার শান্তির জন্য শ্রদ্ধা নিবেদনের হিন্দু আচার বা শাস্ত্রীয় অনুষ্ঠানকে কী বলে?

উত্তর: শ্রাদ্ধ।

প্রশ্ন ৪। ‘উইল’ কী?

উত্তর: শেষ ইচ্ছেপত্র।

প্রশ্ন ৫। ‘প্রেতাত্মা’ কী?

উত্তর: মৃত ব্যক্তির আত্মা বা ভূত।

প্রশ্ন ৬। ‘তৈলচিত্র’ কী?

উত্তর: তেলরঙে আঁকা ছবি।

প্রশ্ন ৭। ‘অশরীরী’ কী?

উত্তর: দেহহীন, নিরাকার।

প্রশ্ন ৮। নগেন কীভাবে ঘরে ঢুকল?

উত্তর: চোরের মতো নি:শব্দে।

প্রশ্ন ৯। নগেনের মামা মারা যাওয়ার সময় কী উইল করে রেখে গিয়েছিলেন?

উত্তর: নগেনের নামে মোটা অঙ্কের টাকা।

প্রশ্ন ১০। নগেনের মামাদের লাইব্রেরিটি কোন আমলের?

উত্তর: নগেনের দাদামশায়ের আমলের।

প্রশ্ন ১১। লাইব্রেরির দেয়ালে কতটি তৈলচিত্র টাঙানো ছিল?

উত্তর: তিনটি।

প্রশ্ন ১২। নগেন দ্বিতীয়বার কখন তৈলচিত্রকে প্রণাম করতে গেল?

উত্তর: দুপুরবেলা।

প্রশ্ন ১৩। পরাশর ডাক্তার কখন নগেনকে বাইরে ঘরে অপেক্ষা করতে বলেন?

উত্তর: রাত্রি বারোটার সময়।

প্রশ্ন ১৪। তৈলচিত্রটি দিনের বেলায় কীরূপ থাকে?

উত্তর: নিস্তেজ হয়ে থাকে।

প্রশ্ন ১৫। কখন তৈলচিত্রটির তেজ বাড়ে?

উত্তর: রাতের বেলায়।

প্রশ্ন ১৬। নগেনের মাথার তৈলচিত্রটি কে আঁকিয়েছিলেন?

উত্তর: নগেনের মামা নিজে।

প্রশ্ন ১৭। পরাশর ডাক্তার তৈলচিত্রের ফ্রেম স্পর্শ করা মাত্র কী হলো?

উত্তর: বৈদ্যুতিক আঘাতে তার শরীরটা ঝনঝন করে উঠল।

প্রশ্ন ১৮। রূপার ফ্রেমটা নগেনের মামা সিন্দুকে তুলে রেখেছিলেন কেন?

উত্তর: চুরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে।

প্রশ্ন ১৯। নগেনের মামাতো ভাই কোথায় ভর্তি হয়েছিল?

উত্তর: ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে।

প্রশ্ন ২০। ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসটি কার লেখা?

উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।