বাস থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করা হলো একজন শিক্ষার্থীকে। অনেকগুলো মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছে, যা হত্যা বলেই বিবেচনা করা যায়। কেউ যেন কথা শুনছে না আমাদের—তাদের অথবা কারোর!
উভয় পক্ষের আইন মানা ছাড়া আসলেই সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধ করা সম্ভব নয়। পথচারীদের রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে অনেকগুলো বিষয় নিয়ে এখন চিন্তার সময় এসেছে। আমরা যখনই রাস্তায় চলব, তখন যেন রাস্তার বাম পাশ দিয়ে চলার সময়ও মনে রাখি পেছনে যে কোনো সময় দুটো গাড়ি ওভারটেক করা অবস্থায় গতিশীল থাকতে পারে। কানে এয়ারফোন ও মোবাইলফোন লাগিয়ে রাস্তায় চলাচল সম্পূর্ণ বাদ দিতে হবে। রাস্তা কোনোভাবেই দৌড়ে পার হওয়া যাবে না। অনেক সময়ই দেখা যায় বাবা-মায়েরা বাচ্চাদের ডানপাশে রেখে রাস্তা দিয়ে হাঁটেন। এতে করে গাড়ির সঙ্গে সহজেই বাচ্চাদের বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে ।
আইন মানতে বাধ্য করতে হবে চালকদেরও। সেক্ষেত্রে লাইসেন্স দেওয়া থেকে বিষয়টি শুরু করতে হবে। কিন্তু এখানেই দুর্নীতির বড় আখড়া। যারা ভালো চালায় অথচ সঠিক উপায়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে যায় তাদের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার নজির রয়েছে। ঠিক একইভাবে দালালচক্র খুব সহজেই লাইসেন্স পাইয়ে দেয়! এ বিষয়গুলো তো বন্ধ করতেই হবে। সঙ্গে সঙ্গে ভারী যানবাহনের লেন মেনে গাড়ি চলার জন্য শুধু মাঝের লেন ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা আনতে হবে। যাতে করে ওভারটেক টেনডেন্সি কমিয়ে আনা যায়। রাস্তা থেকে বাজার, হকার ও থেমে থাকা গাড়ি তুলে দিতে হবে একেবারে।
সাঈদ চৌধুরী
শ্রীপুর, গাজীপুর