ইত্তেফাক রিপোর্ট
অপেক্ষাকৃত স্বল্প আয়ের সাধারণ মানুষ, অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী, নারী তথা নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে সরকার সঞ্চয়পত্রের সুবিধা অব্যাহত রেখেছে। তাদের কথা বিবেচনায় নিয়েই ব্যাংকারদের জোরালো দাবি সত্বেও সুদের হার কমানো হয়নি। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, বিক্রি হওয়া সঞ্চয়পত্রের বেশিরভাগই কিনছে সমাজের উচ্চবিত্ত শ্রেণি। অনেক কালো টাকাও এ খাতে বিনিয়োগ হচ্ছে। সরকার বছর বছর এর পেছনে বিশাল অঙ্কের সুদ গুণলেও তার সামান্যই যাচ্ছে ‘টার্গেট গ্রুপের’ কাছে। এ পরিস্থিতিতে ঢালাও সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে রাশ টানতে যাচ্ছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে সঞ্চয়পত্র ক্রয়-বিক্রয় হবে অনলাইনে। ইতোমধ্যে ঢাকায় এর পাইলট কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী জুলাই থেকে দেশব্যাপী তা চালু হবে।
এছাড়া সঞ্চয়পত্রের অনলাইন তথ্যভান্ডার তৈরির কাজ বর্তমানে চলমান। তথ্যভান্ডারের কাজ শেষ হলে সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের পাশাপাশি ই-টিআইএন (করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর) জমা দিতে হবে। নতুন ব্যবস্থায় ৫০ হাজার পর্যন্ত টাকা দিয়ে সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে। এর বেশি হলেই তা পরিশোধ করতে হবে চেকের মাধ্যমে। সঞ্চয়কারীর ব্যাংক হিসাব নম্বরও দিতে হবে। বর্তমানে যাদের সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ রয়েছে, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি ও ই-টিআইএনও জমা দিতে হবে। এর বাইরেও আরো কিছু পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। এটি বাস্তবায়ন হলে সঞ্চয়পত্রে কারা বিনিয়োগ করছেন, তা চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।