গাংনীতে শিশু ইরান হত্যা মামলায় একজনের ফাসিঁর আদেশ

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধলা গ্রামে শিশু ইরান হত্যা মামলায় আহম্মেদ শরিফ ওরফে দিপুকে (২৯) ফাসিঁর আদেশ দিয়েছে আদালত। তিনি ওই গ্রামের খোকন মন্ডলের ছেলে।
 
মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রবিউল হাসান এ দণ্ডাদেশ দেন। রায়ের আগে বিচারক ৩৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। তবে আসাসি দিপু পলাতক রয়েছেন।
 
মামলার বিবরণে জানা গেছে, শিশু ইরানের মায়ের সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল আহম্মেদ শরিফের। ২০১১ সালের ৪ আগস্ট বিকালে এ গ্রামের স্কুল মাঠ থেকে ইরাণকে অপহরন করে নিয়ে যায় আহম্মেদ শরিফ। ওই রাতেই গ্রামের একটি পাটক্ষেতে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরের দিন সকালে স্থানীয়দের খবরে পাটক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ দিনই ইরানের চাচা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে দিপুকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরের ৭ আগস্ট ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন দিপু। ২৪ আগস্ট আদালত চার্জশিট প্রদান করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
 
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাড. পল্লভ ভট্টাচার্য ও আসামি পক্ষে শুনানি করেন অ্যাড. কামরুল হাসান।