পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে হয়ে গেলো বাংলাদেশি খাদ্য উৎসবের (বাংলাদেশ ফুড ফেস্টিভাল) অনুষ্ঠান। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ভাবমূর্তি এবং ঐতিহ্যবাহী রন্ধনশিল্পকে স্থানীয় সুূধিমহলে তুলে ধরার প্রয়াসে এ আয়োজন করা হয়।
ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন মহান বিজয়ের ৪৫তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসাবে শনিবার স্থানীয় একটি পাঁচতারা হোটেলে এ উৎসবের আয়োজন করে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। IMG0
এ উৎসবে স্থান পায় ভাত, পোলাও, খিচুড়ি, গরু, খাসি ও মুরগীর মাংস। রুই, আইড়, শোল এবং চিংড়ি মাছের তরকারিসহ বিভিন্ন পদের সুস্বাদু খাবার এবং রসগোল্লা, পায়েসসহ বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন পরিবেশনও করা হয়।
উৎসবে অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারিক আহসান বলেন, শস্য শ্যামল ও নদীমাতৃক বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারে চাল, সব্জি ও মাছের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়। তবে অন্যান্য অঞ্চলের কিছু বৈশিষ্ট্য আত্মীকরণের মাধ্যমে বর্তমান বাংলাদেশের খাবার অনেক সমৃদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলদেশি খাবার এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও সমান জনপ্রিয়। অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট প্রতিমন্ত্রী নওয়াবজাদা মালিক আহমদ খানও বক্তব্য রাখেন। IMG1
অনুষ্ঠানস্থলে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পসহ বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী প্রদর্শন করা হয়। অতিথিবৃন্দ গভীর আগ্রহের সঙ্গে সামগ্রীগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন।
বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক এবং পাকিস্তানের প্রায় ৩০০ গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রবাসী বাংলাদেশি খাদ্য উৎসবে যোগ দেন এবং বাংলাদেশি খাবার ও এই ধরনের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। IMG2
ইত্তেফাক/এমআই