পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ -উদ্দীপনার সাথে ৪৬তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন করেছে।
শুক্রবার হাইকমিশন প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে চান্সারি ভবন আলোকসজ্জিত ও বিজয় দিবসের পোস্টার দিয়ে সাজানো হয়।
সকালে চ্যান্সারি প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের সূচনা করেন হাইকমিশনার তারিক আহসান।
সন্ধ্যায় বিজয় দিবেেসর তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে দেশের স্বাধীনতার জন্য শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর, বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্র্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাস্ট্র মন্ত্রী ও পররাস্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।
আলোচনা পর্বে বক্তারা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাঁথাসহ সংশ্লিষ্টদের অবদানের কথা বর্ণনা করেন। সংক্ষিপ্ত বক্তৃতাকালে হাইকমিশনার তারিক আহসান দেশের স্বাধীনতা অর্জনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।
তিনি ত্রিশ লক্ষ শহীদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও দুই লক্ষ সম্ভ্রম হারানো মা-বোনের প্রতিও বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। তারিক আহসান সরকার ঘোষিত রুপকল্প ২০৪১ অনুসরণ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের চলমান উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করে বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে প্রবাসী বাংলাদেশীসহ সকলকে নিষ্ঠার সাথে নিজ-নিজ দায়িত্ব পালনের আহবান জানান।
আলোচনা শেষে জাতির পিতা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়। শেষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
ইত্তেফাক/এমএইচ