তথ্যপ্রযুক্তিতে ইত্যেমধ্যেই বাংলাদেশ তাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে। তাই এখন দেশের আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিৎ গুণগতমানের কাজ করা।
শুক্রবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বেসিস সফটএক্সপোর তৃতীয় দিনে ‘এক্সপোর্ট মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি টু অবটেইন ৫ বিলিয়ন বাই ২০২১’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনে ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টারের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মার্টিন ল্যাব্বি এই কথা বলেন।
সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন অ্যামটবের মহাসচিব টিআইএম নরুল কবির। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটির নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম। আলোচক হিসেবে ছিলেন বেসিসের সহসভাপতি এম রাশিদুল হাসান ও ফারহানা এ রহমান, এলআইসিটি প্রকল্পের কমপোনেন্ট টিম লিডার সামি আহমেদ, গ্রাফিক পিপল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ এলাহী, রাইট ব্রেইন সল্যুউশনের প্রধান নির্বাহী নূর মোহাম্মদ খান।
ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টারের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মার্টিন ল্যাব্বি আরও বলেন, বাংলাদেশ আউটসোর্সিংয়ে খুব ভাল করছে। কিন্তু এখানকার ফ্রিল্যান্সাররা কম বাজেটে কাজ করে। যা বিশ্ববাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই ফ্রিলান্সারদের উচিৎ মানসম্মত বাজেটে কাজ করা।
তিনি আরো বলেন, বিশ্ববাজারে সফটওয়্যার রপ্তানি বৃদ্ধি করতে প্রয়োজন দক্ষ জনবল। আর দক্ষ জনবল তৈরি করতে অবশ্যই সরকার ও বেসরকারি খাতকে একসাথে কাজ করা।
সেমিনারে অফিসএক্সট্রাক্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রবীর সরকার বলেন, নতুন সফটওয়্যার ডেভেলপাররা সার্টিফিকেশন অর্জন করেই বিশ্ববাজারে কাজের জন্য নেমে পড়ে। তাদের উচিৎ নিজেদের দক্ষতা আরো বৃদ্ধি করা। অনেক প্রতিষ্ঠান আইটি প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকলেও তাদের অনেক দুর্বলতা রয়েছে। বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে গুণগতমানের ট্রেনিং প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে হবে।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্যমাত্রা ২০২১ সালের মধ্যে আইটি খাত থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করা। এর জন্য সরকার নিজ উদ্যোগে আইটি ট্রেনিং দেয়ার ব্যবস্থা করেছে। সরকার আইটি এক্সপার্ট ও উদ্যোক্তা তৈরি করছে।
ইত্তেফাক/ইউবি