'ক্লাউড-ই তথ্যপ্রযুক্তির ভবিষ্যৎ'

ভবিষ্যতের তথ্যপ্রযুক্তিতে নেতৃত্ব দেবে ক্লাউড কম্পিউটিং। ক্লাউডে তথ্য সংরক্ষণ যেমন সহজ, তেমনি তথ্য সংরক্ষণের খরচও অনেক কম। ক্লাউডে তথ্য সুরক্ষিতও থাকে।
 
শুক্রবার বেসিস সফটএক্সপোর তৃতীয় দিনে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের মিডিয়া বাজার হলে ‘ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন উইথ ক্লাউড কম্পিউটিং’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।
 
তারা বলেন, বাংলাদেশকেও ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। কেননা, এই পদ্ধতিতে তথ্য সংরক্ষণ ও তথ্য প্রক্রিয়াকরণের খরচ কম।
 
সাউথইস্ট এশিয়া নিউ মার্কেটস মাইক্রোসফট এশিয়া প্যাসিফিকের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রিনা চাই এর সঞ্চালনায় সেমিনারে বেসিস পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল বলেন, বড় ধরণের ডাটা সেন্টার তৈরি করতে প্রচুর বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়। এজন্য অবকাঠামো নির্মাণ করতে হয়। কিন্তু ক্লাউডে তথ্য রাখলে অবকাঠামো নির্মাণের দরকার হয় না। তথ্য সংরক্ষণের খরচ অনেক কমে যায়। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে ক্লাউড কম্পিউটিং অন্যতম ভূমিকা রাখতে পারে।
 
মাইক্রোসফট কর্পোরেশন ডব্লিউ ডব্লিউ এন্টারপ্রাইজেস অ্যান্ড পার্টনার সাউথ ইস্ট গ্রুপের সেলস ডিরেক্টর সঞ্জয় পাতিল বলেন, অনেকে মনে করেন ক্লাউডে তথ্য রাখলে তা বুঝি সুরক্ষিত থাকে না। হ্যাকিংয়ের ভয় থাকে। আসলে তা নয়। মাইক্রোসফটের ক্লাউড সার্ভারগুলো সুরক্ষিত। এখান থেকে তথ্য হ্যাক হওয়ার আশঙ্কা নেই।
 
ইত্তেফাক/এএম