২০২১ সালের মধ্যে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, পিসি এবং স্মার্টওয়াচে রিটেইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহারকারী ৩ বিলিয়নের কাছাকাছি হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে গবেষণা সংস্থা জুনিপার রিসার্চ।
‘রিটেল ব্যাংকিং ডিজিটাল ট্রান্সফরম্যাশন অ্যান্ড ডিসরাপ্টর অপুরচুনিটিজ ২০১৭-২০২১’ শিরোনামের এক গবেষণায় আরও ধারণা করা হয়েছে, ব্যাংকগুলোর মাল্টি চ্যানেল ডিজিটাল সেবা সুবিধার প্রস্তাব দেওয়ার কারণে ভোক্তাদের এই ক্রমবর্ধমান ব্যবহার বাড়তে থাকবে। এ অবস্থায় ব্যাংকগুলোকে তাদের গ্রাহকদের আরও ঝামেলাহীন ডিজিটাল অভিজ্ঞতা প্রদানে চেষ্টা করতে হবে, বিশেষ করে তারা যদি বাজারে প্রভুত্ব করতে চায়।
এ গবেষণার গবেষক নিতিন ভাস বলেন, ‘বর্তমানে প্রযুক্তি সব ধরনের ব্যাংকের জন্য চ্যালেঞ্জ, এমনকি ২০১৬ সালে ব্যাংকিং প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ রেকর্ড মাত্রায় পৌঁছেছে এবং আশা করা যায়, প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলো যদিও অনেক পিছিয়ে রয়েছে, তবুও তারা ডিজিটাল রূপান্তরের উদ্যোগে ফোকাস করবে।’ জুনিপারের গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১৭ সালে বড় বড় ব্যাংকগুলো এই অবস্থায় টিকে থাকতে টেক স্টার্টআপগুলোকে অধিগ্রহণ করবে।এ ছাড়া ব্যাংকো স্যানটান্ডার, ব্যাংক অব আমেরিকা, বারক্লেস, সিটি, এইচএসবিসি, জেপি মর্গান চেস, আরবিএস, ইউনি ক্রেডিট এবং অয়েলস ফার্গো ডিজিটাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে নেতৃস্থানীয় ব্যাংক হিসেবে রয়েছে।
জুনিপার বলছে, এসব ব্যাংকগুলো অধিক বিনিয়োগ এবং চমত্কার ডিজিটাল পোর্টফলিও দিয়ে ডিজিটাল রূপান্তরে দ্রুত উন্নয়ন করে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সূত্র: টেলিকম এশিয়া
ইত্তেফাক/কাউছার