যথাযথ উৎসাহ-উদ্দীপনা ও মর্যাদার সঙ্গে শুক্রবার পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে চানসারি প্রাঙ্গন রঙ্গীন বেলুন ও অন্যান্য ঝলমলে সামগ্রী দিয়ে সাজানো হয় এবং সন্ধ্যায় ভবন আলোকসজ্জিত করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে সন্ধ্যায় আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানমালার সূচনা হয়। পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারিক আহসান বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন।
হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারবর্গ, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং শিশুরাও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে হাইকমিশনার সকলকে সাথে নিয়ে জন্মবার্ষিকীর কেক কাটেন।
এরপর দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।
IMG0
অলোচনা সভায় হাইকমিশনার তারিক আহসান জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং শিশুদের জাতীয় শিশু দিবসের শুভেচ্ছা জানান। বঙ্গবন্ধুর শৈশবকালের কিছু ঘটনার বর্ণনা করে তিনি বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ চারিত্রিক গুণাবলী বিশেষত তার সাহস,সহমর্মিতা, আত্মমর্যাদাবোধ, দৃঢ় সংকল্পবদ্ধতা, বিচক্ষণতা, সরলতা ও সততার কথা তুলে ধরেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রণিত হয়ে রূপকল্প ২০৪১এর আওতায় ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয়ার লক্ষ্যে নিজেদের যথাযথভাবে প্রস্তুত করতে শিশুদের প্রতি আহ্বান জানান।
জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশি শিশুরা হাইকমিশন আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর অবদান’ বিষয়ে রচনা লেখা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এছাড়া শিশুরা বঙ্গবন্ধুর ওপর রচিত কবিতা ও ছড়া আবৃত্তি এবং নৃত্য পরিবেশন করে।