বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর পাঠাগার হতে নীলকুঠি রাস্তাটির মাঝে দীর্ঘ চার বছর আগে প্রায় ৪শ ফুট রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন এলাকাবাসী। রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী থাকায় এ অঞ্চলের মানুষ তাদের উত্পাদিত কৃষি পণ্য বাজারজাত করতে পারছেন না।
রাস্তার উভয় পাশে পাকা হলেও মাঝেখানে ভেঙে বিশাল আকৃতির গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে রাস্তাটি পাকা থাকলেও কোনো কাজে আসছে না এলাকাবাসীর। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শেকাড়া ও খালকুলা গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ যাতায়াত করে। এ অঞ্চলে ধান, পাট, পিঁয়াজ, রসুনসহ মৌসুমি সবজির ব্যাপক আবাদ হয়। কৃষকের উত্পাদিত পণ্য ঢাকাসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তাদের উত্পাদিত পণ্য বাজারজাতকরণের জন্য দীর্ঘ পথ ঘুরে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে অর্থ এবং সময় দুটোই নষ্ট হচ্ছে।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ২০১৩ সালে টানা ভারি বর্ষণের ফলে পানির চাপে ভেঙে যায় রাস্তাটি। এরপর দীর্ঘ চার বছর সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বহরপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম জানান, রাস্তাটি বিভিন্ন কারণে ভেঙে গেছে। এটি পুনঃনির্মাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কাউকে অবগত করা হয়নি। তবে এখন যত দ্রুত সম্ভব বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।
ইত্তেফাক/নূহু