নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসন
বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের শেষ মুহূর্তের দৌড়ঝাঁপ
সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রায় নিশ্চিত হলেও বিএনপির প্রার্থী নিশ্চিত না হওয়ায় বিএনপি নেতারা মনোনয়ন নিশ্চিত করতে শেষ মুহূর্তের দৌড়ঝাঁপ করে যাচ্ছেন। দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে ঢাকায় লবিং তদবিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এ আসনে সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন, শিল্পপতি শাহ আলম, জেলা সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদ ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪ (সিদ্ধিরগঞ্জ-ফতুল্লা) আসনটি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকার অন্তর্গত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১ থেকে ১০নং ওয়ার্ড এবং ফতুল্লা থানার কুতুবপুর, এনায়েতনগর, ফতুল্লা, কাশিপুর, বক্তাবলী ও গোগনগর ইউনিয়ন এলাকা নিয়ে গঠিত। এ আসনে সর্বমোট ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৬৩৯ জন ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩ লাখ ৩০ হাজার ৬২১ জন ও মহিলা ভোটার ৩ লাখ ২৩ হাজার ১৮ জন। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক এমপি ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শিল্পপতি শাহ আলম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদ, কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টুসহ ৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এরা সকলেই গত বুধবার দলীয় সাক্ষাত্কারে উপস্থিত থেকে নিজ নিজ প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। তবে মনোনয়ন নিশ্চিত না হওয়ায় বিএনপির হাইকমান্ডে জোর লবিং করছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।
বিএনপির একাধিক সূত্রে জানা যায়, মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন বিগত ৩ বছর ধরে রাজপথে সরব ছিলেন। ২০০১ সালে তিনি এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা বিএনপির সহসভাপতি শিল্পপতি শাহ আলম ২০০৮ সালের নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর রাজনীতির মাঠে সরব ছিলেন না।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদ থানা ছাত্রদল ও থানা যুবদলের সভাপতির দায়িত্বে থাকার সময় রাজপথে সরব ছিলেন। রাজপথে থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করছেন। ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ-সভাপতি ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বেশ সক্রিয় ছিলেন।