৫০ বছর ধরে নিয়মিত ভাবে দৈনিক ইত্তেফাক পাঠ করে আসছেন ঘাটাইল উপজেলার নর্জনা গ্রামের মোঃ মতিয়ার রহমান । তিনি বর্তমানে ঘাটাইল জি.বি.জি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের উপাধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি যখন তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র তখন থেকেই নিয়মিত ভাবে ইত্তেফাক পাঠ করে আসছেন।
তাঁর দাদা মরহুম মফিজ উদ্দিন সরকার হেমনগর জমিদারের নায়েব ছিলেন। দৈনিক ইত্তেফাক জন্মের পর থেকেই তাঁর দাদা পত্রিকা অফিসে বাৎসরিক অগ্রিম টাকা জমা দিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকের গ্রাহক হন। পত্রিকা অফিস পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে ডাকযোগে নর্জনা গ্রামে প্রতিনিয়ত পত্রিকাটি পাঠানোর ব্যবস্থা করে।
১৯৬৬ সালে তিনি যখন তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র তখন থেকেই স্বনাম ধন্য স্বাধীনতার পক্ষের দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকাটি পড়তে শুরু করেন। দাদা মফিজ উদ্দিন সরকার ১৯৭৯ সালে মারা যাওয়ার পর মোঃ মতিয়ার রহমানের বাবা ঘাটাইল সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মরহুম হবিবুর রহমান দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকাটি বাসায় নিয়মিত ভাবে রেখে পাঠ করতেন। ২০০১ সালে হবিবুর রহমান মৃত্যু বরণ করার পর উপাধ্যক্ষ মোঃ মতিয়ার রহমান তার প্রিয় পত্রিকাটি আঁকড়ে ধরে রেখেছেন। তিনি এখনও তার নিজ বাসায় ও কলেজে নিয়মিত ভাবে ইত্তেফাক পড়ে আসছেন।
কেন আপনি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকাটি আপন করে নিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, স্বাধীনতা কথাটির সাথে ইত্তেফাক পত্রিকাটি ওতোপ্রোতো ভাবে জড়িত। এটা একটি স্বাধীনতার পক্ষের পত্রিকা। স্বাধীনতা সংগ্রামসহ বিভিন্ন আন্দোলনে ইত্তেফাকের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এ পত্রিকাটি কোন মিথ্যা কল্পকাহিনী দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে না। সম্পাদকীয়, উপ-সম্পাদকীয় ও স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপসগুলো তার বেশী ভাল লাগে বলে তিনি জানান। ইত্তেফাক যেন অতীতের গৌরব রক্ষার্থে পিছপা না হয় সে জন্য সম্পাদকের সজাগ থাকার অনুরোধ জানান। তিনি ইত্তেফাকের দীর্ঘায়ু ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
ইত্তেফাক/এমআর